ব্রেকিং নিউজ

সকাল ১১:৪৮ ঢাকা, সোমবার  ২৪শে সেপ্টেম্বর ২০১৮ ইং

মানবতাবিরোধী অপরাধে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত জামায়াত নেতা মীর কাসেম আলী

‘কাসেমের ফাঁসির আদেশ বাতিল চেয়ে করা আপিল মামলার রায় ৮ মার্চ’

মানবতাবিরোধী অপরাধে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত জামায়াত নেতা মীর কাসেম আলীর ফাঁসির আদেশ বাতিল করে খালাস চেয়ে করা আপিল মামলার চূড়ান্ত রায় ৮ মার্চ।বুধবার শুনানির ৭ম দিনে রাষ্ট্র ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহার নেতৃত্বে আপিল বিভাগের এক নম্বর বেঞ্চ এ দিন ধার্য করেন।

আদালত প্রথমে ২ মার্চ রায়ের দিন ধার্য করলেও পরে তা ৮ মার্চ করেন।

শুনানিতে প্রধান বিচারপতি ছাড়া বেঞ্চের অন্য বিচারপতিরা হলেন- বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন, বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী, বিচারপতি মির্জা হোসেইন হায়দার ও বিচারপতি মোহাম্মদ বজলুর রহমান।

রাষ্ট্রপক্ষে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ করেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম। জবাবে আসামিপক্ষে সমাপনী যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করেন মীর কাসেমের প্রধান আইনজীবী খন্দকার মাহবুব হোসেন।

গত ৯ ফেব্রুয়ারি থেকে চলছে আপিল মামলাটির শুনানি। ওইদিন এবং পরদিন ১০ ফেব্রুয়ারি ট্রাইব্যুনালের রায় এবং সাক্ষীদের অভিযোগভিত্তিক সাক্ষ্য-প্রমাণ উপস্থাপন শেষে আসামিপক্ষে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শুরু করেন মীর কাসেমের আইনজীবী এস এম শাহজাহান। গত ১৭ ফেব্রুয়ারি যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ করেন তিনি। আর রাষ্ট্রপক্ষে অ্যাটর্নি জেনারেল শুরু করেন সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি)।

মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে ২০১৪ সালের ২ নভেম্বর মীর কাসেম আলীকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২। এ রায়ের বিরুদ্ধে  ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মীর কাসেম আলী আপিল করেন। মীর কাসেম তার দেড়শ’ পৃষ্ঠার মূল আপিলসহ ১ হাজার ৭৫০ পৃষ্ঠার আপিলে মোট ১৬৮টি কারণ দেখিয়ে ফাঁসির আদেশ বাতিল করে খালাস চেয়েছেন।

মীর কাসেম আলীর বিরুদ্ধে ১৪টি অভিযোগ আনা হয়েছিলো। এর মধ্যে ১০টিতে জামায়াতের এ নেতা দোষী সাব্যস্ত হন। বাকি ৪টি অভিযোগ প্রসিকিউশন সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণ করতে পারেননি।