ব্রেকিং নিউজ

বিকাল ৪:৩১ ঢাকা, শুক্রবার  ২১শে সেপ্টেম্বর ২০১৮ ইং

‘কারারক্ষীর ওপর হামলা হয়েছে : আইজি-প্রিজন’-‘স্থানীয় প্রশাসনের অস্বীকার’, তাহলে ঘটনাটি কি?

ফরিদপুরে কারাগারে কর্মরত কারারক্ষী মো. আসাদুজ্জামানের ওপর সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা সরকারের বিভিন্ন পর্যায় থেকে স্বীকার করা হচ্ছেনা।
বুধবার বিকালে একটি বেসরকারি টিভি চ্যানেলে কারারক্ষীর ওপর হামলার ঘটনা প্রচারের পর জেলাজুড়ে তোলপাড়ের সৃষ্টি হয়।
ফরিদপুরে কর্তব্যরত সাংবাদিকরা জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, জেলার, জেল সুপারের সাথে একাধিক বার কথা বলেন। তারা কেউই বিষয়টি স্বীকার করেনি।
বুধবার দুপুরে ফরিদপুর জেনারেল হাসপাতালে থেকে আসাদুজ্জামান নামের এক ব্যক্তি প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন বলে হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে। হাসপাতালের রেজিষ্টার খাতায় ৩০ নং সিরিয়ালে মো. আসাদুজ্জামান নামের একজন প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন বলে লেখা রয়েছে।
ফরিদপুর সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগে কর্তব্যরত রেজিস্টার সহকারী জয়নাল মিয়া জানান, ‘আসাদুজ্জামান (৪২) নামের একজন চিকিৎসা নিয়েছেন। তার পিঠে আঘাতের চিহ্ন ছিল। তবে তিনি কারারক্ষী কিনা আমরা জানি না।’
এদিকে কারারক্ষীর ওপর হামলার ঘটনা অস্বীকার করেছেন জেল সুপার আবুল কালাম আজাদ। তিনি একটি দৈনিককে বলেন, কোনো কারারক্ষীর ওপর কোনো হামলার ঘটনা ঘটেনি। কারারক্ষী আসাদুজ্জামান এ বিষয়ে কিছু বলতে পারেনি। তবে মোটরসাইকেলে যাবার সময় কাটার আঁচড় জাতীয় কিছু লাগতে পারে বলে জানান তিনি।
এছাড়া জাতীয় একটি দৈনিকের অনলাইন ভার্সনে আইজি প্রিজন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ ইফতেখার উদ্দিন কারারক্ষী আসাদুজ্জামান সম্পর্কে যে বক্তব্য দিয়েছেন তাও তিনি এড়িয়ে যান। ঐ রিপোর্টে তিনি বলেছেন, ফরিদপুরে আজ বুধবার বেলা তিনটার দিকে মোটরসাইকেলে থাকা এক কারারক্ষীকে পেছন দিক দিয়ে ক্ষুর মেরে পালিয়ে গেছে দুর্বৃত্তরা। ওই দুই কারারক্ষী ফরিদপুর কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে মোটরসাইকেলে করে ডাকঘরের দিকে যাচ্ছিলেন। বেলা তিনটার দিকে দুর্বৃত্তরা পেছন থেকে ক্ষুর ছুড়লে এক কারারক্ষী আহত হন। তার নাম আসাদুজ্জামান।

জানা গেছে, কারারক্ষী আসাদুজ্জামান কারাগারের কোয়ার্টারে বসবাস করেন। তার ওপর হামলা হয়েছে এমন কোনো তথ্যই জানাতে পারেনি স্থানীয়রা।

তাহলে আসল ঘটনাটি কি ?