ব্রেকিং নিউজ

রাত ৩:০৫ ঢাকা, শুক্রবার  ১৭ই আগস্ট ২০১৮ ইং

আমির হোসেন আমু
আইন-শৃঙ্খলা সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির সভাপতি ও শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু

‘কর্মসূচির নামে নিরাপত্তাহীনতা তৈরি হলে দমন’

আইন-শৃঙ্খলা সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির সভাপতি ও শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু বলেছেন, রাজনৈতিক কর্মসূচির নামে জনগণের জানমালের নিরাপত্তাহীনতা তৈরি হলে সরকার তা কঠোর হস্তে দমন করবে।

আজ সোমবার সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আইন-শৃঙ্খলা সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির সভা শেষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি একথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘মামলায় সাজা পাওয়া আসামি বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া, তারেক রহমান বা অন্য যেকোনও আসামির মুক্তির দাবিতে রাজনৈতিক কর্মসূচির নামে যদি পেট্রোল বোমা মেরে মানুষ হত্যা হয়, আতঙ্ক ও জানমালের নিরাপত্তাহীনতা সৃষ্টি হয় তাহলে সরকার তা কঠোর হাতে দমন করবে।’

বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার সঙ্গে সাজা পাওয়া আসামিদের বিদেশ থেকে ফেরত আনার ব্যাপারে কোন উদ্যোগ নেয়া হবে কিনা- এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আইন প্রয়োগকারী সংস্থা এটা দেখবে। তারা কী করবেন, কীভাবে করবেন এটা তাদের ব্যাপার। এটা মূলত আদালতের ব্যাপার। আইনের ব্যাপারটা আপনারা নিজেরা জানেন, মাল ক্রোক হবে কিনা- এটা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ব্যাপার।

শিল্পমন্ত্রী বলেন, যারা অনুপস্থিত তাদের মাল ক্রোক হবে কিনা, কীভাবে হাজির করা হবে সবকিছু নির্ভর করে আদালতের ওপর। আদালত যতক্ষণ পর্যন্ত না সিদ্ধান্ত দেন আইন প্রয়োগকারী সংস্থার কিছু করার নেই। আইন প্রয়োগকারী সংস্থা উদ্যোগ নিয়ে কিছু করতে যাবে না।

দেশের বর্তমান আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভালো আছে দাবি করে আমু বলেন, গত নভেম্বরের তুলনায় ডিসেম্বরে সব ধরনের অপরাধ কমেছে। ২০১৬ সালের জুলাই থেকে আজ পর্যন্ত মোট ৩২টি বড় ধরনের জঙ্গিবিরোধী অভিযান পরিচালিত হয়েছে। এতে ৭৮ জন নিহত ও ৬৪ জন গ্রেফতার হয়েছে। এছাড়াও জঙ্গিদের হাতে জিম্মি উদ্ধার হয়েছে ১০৩ জন। এসব ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য নিহত হয়েছেন ৮ জন। এদের মধ্যে পুলিশ ৬ জন, র‌্যাব একজন এবং ফায়ার সার্ভিসের সদস্য একজন।

শিল্পমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে দেশে জঙ্গিবাদ অনেকটা নিয়ন্ত্রণে এসেছে। মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। গুরুত্বসহকারে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মাদকের সঙ্গে জড়িত যেকোনও অপরাধীদের শনাক্ত করার কাজে নিয়োজিত আছে। মাদকের বিরুদ্ধে জনসচেতনতা বাড়াতে স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা এবং মসজিদের খুতবায় বিশেষ বয়ানের জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে।

বৈঠকে কমিটির সদস্য স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল, নৌ পরিবহন মন্ত্রী শাহজাহান খান, আইনমন্ত্রী আনিসুল হক প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।