চীনের উহান থেকে ছড়িয়ে পড়া করোনাভাইরাস, যার নামকরণ করা হয়েছে কোভিড-১৯ এরই মধ্যে সারাবিশ্বে ৩,৫৯৪ জনের প্রাণ কেড়ে নিয়েছে এবং ১০৬টি দেশে ১ লাখ ৬ হাজার ৪৩৯ জন আক্রান্ত হয়েছেন। এ অবস্থায় কীভাবে নিজেকে সুরক্ষিত রাখবেন জানুন।

একই সময়ে ৬০ হাজার ৯৩ জন আক্রান্ত রোগী চিকিৎসতায় সুস্থও হয়ে উঠেছেন।

যুক্তরাষ্ট্রের সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন (সিডিসি) ভাইরাসের লক্ষণ কী তা নিয়ে নির্দেশনা দিয়েছে।

ঝুঁকিতে থাকা ব্যক্তি

জ্বর এবং শ্বাসযন্ত্রের অসুস্থতার লক্ষণ, যেমন: কাশি অথবা শ্বাস নিতে অসুবিধা, উহান ফেরত কিংবা গত দুই সপ্তাহ যাবৎ যিনি অসুস্থ এবং পর্যবেক্ষণে রয়েছে এমন কারোর ঘনিষ্ঠ সংস্পর্শে এসেছেন।
গত দুই সপ্তাহ এমন কারও ঘনিষ্ঠ সংস্পর্শে এসেছেন যার করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে এবং তারপর জ্বর ও শ্বাসকষ্টের লক্ষণ দেখা গিয়েছে।

সিডিসি ‘ঘনিষ্ঠ সংস্পর্শ’ এর ব্যাখ্যা দিয়েছে ৬ ফুটের মধ্যে কিংবা একই রুমে অথবা সেবাকেন্দ্রে করোনাভাইরাস আক্রান্ত ব্যক্তির সঙ্গে প্রতিরক্ষামূলক পোশাক ছাড়া দীর্ঘ সময় থাকা।

অথবা প্রতিরক্ষামূলক পোশাক ছাড়া সংক্রমিত ব্যক্তির থুতু, কাশি, করমর্দনসহ যেভাবে ভাইরাসটি ছড়ায় সরাসরি তার সংস্পর্শে যাওয়া।

কীভাবে নিজেকে সুরক্ষিত রাখবেন

নিউমোনিয়ার লক্ষণ কিংবা সাধারণ ঠান্ডা লাগা যেমন- কাশি কিংবা নাক দিয়ে পানি পড়ছে এমন কারো সংস্পর্শ এড়িয়ে চলা।

হাত না ধোয়া অবস্থায় নিজের চোখ, হাত, নাক ও মুখ না ধরা।

সম্ভব হলে অ্যালকোহলভিত্তিক হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার করা।

পশু ও পশু বিক্রির জায়গা এড়িয়ে চলা।

নিজের কোনো লক্ষণ ধরা পড়লে কাছের হাসপাতালে জানানো এবং সবচেয়ে জরুরি ভয় না পাওয়া। সূত্রঃ স্টার অনলাইন।