ব্রেকিং নিউজ

ভোর ৫:২২ ঢাকা, বুধবার  ১৭ই জানুয়ারি ২০১৮ ইং

কমবে বৃষ্টিপাত
ঢাকায় আজকের বৃষ্টিপাতে ফার্মগেট-কাওরান বাজার-বিজয় স্বরনী এলাকার রাস্তা ফুটপাত তলিয়ে যায়। Md Mohiuddin Bepari

‘কমবে বৃষ্টিপাতের পরিমান’ – আবহাওয়াবিদ

গত কয়েকদিনের ভারী বর্ষণে ঢাকা ও চট্টগ্রামসহ দেশের অধিকাংশ শহরের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে জলাবদ্ধতার সুষ্টি হয়েছে।
জলাবদ্ধতার কারণে ঢাকা শহরের শান্তিনগর, মতিঝিল, ফকিরাপুল, আরামবাগ, রাজারবাগ, মালিবাগ, মগবাজার, ধানমন্ডি, মিরপুরের শেওড়াপাড়া, কাজীপাড়া, মিরপুর-১, মিরপুর-১১, মিরপুর-সাড়ে এগারসহ অধিকাংশ এলাকায় তীব্র জলাবদ্ধতার সুষ্টি হয়েছে। এছাড়াও অধিকাংশ এলাকার রাস্তাঘাট কম-বেশি ডুবে গিয়ে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে উঠে।

আবহাওয়াবিদ শাহীনুল ইসলাম বিকেলে বলেন, আজ ঢাকায় সকাল ৬ টা থেকে বেলা ১২টা পর্যন্ত ৫৬ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। এই সময়ে নোয়াখালীর মাইজদীকোর্টে দেশের সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। এখানে এই ৬ ঘন্টায় ৯৪ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।

তিনি বলেন, আজ বিকেল থেকে বৃষ্টিপাতের পরিমান কমতে শুরু করবে। দেশের কিছু কিছু এলাকায় হালকা থেকে মাঝারী ধরনের বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। তবে ভারী বর্ষণের সম্ভাবনা নেই।

ভারী বর্ষণ ও জলাবদ্ধতার কারণে অফিসগামী মানুষ, সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষসহ স্কুল কলেজের শিক্ষার্থীদের চরম দুর্ভোগে পড়তে হয়েছে। খুব জরুরি প্রয়োজন ছাড়া সাধারণ মানুষকে বাইরে যেতে দেখা যায়নি। রাজধানীতে গণপরিবহনের পরিমানও ছিল অনেক কম। এরপরও ধীরে গাড়ি চলার কারণে রাজধানী জুড়ে ছিল ব্যাপক যানজট।

এদিকে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র মোহাম্মদ সাঈদ খোকন আজ বুধবার দুপুরে নগরীর বিভিন্ন স্থানে অতিবর্ষণজনিত কারণে সৃষ্ট জলাবদ্ধতা পরিদর্শণে বের হন।

এ সময় তিনি সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বলেন, গত কয়েকদিনের অতি বর্ষণের কারণে নগরীর বিভিন্ন স্থানে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। ডিএসসিসির কর্মীরা এটি নিরসনের লক্ষ্যে কাজ করছে। বৃষ্টি থামার ৩ থেকে ৪ ঘন্টার মধ্যে পানি অপসারিত হবে।

তিনি বলেন, ‘জলাবদ্ধতা নিরসন মূলত ঢাকা ওয়াসার কাজ হলেও সিটি কর্পোরেশনের কর্মীরা মাঠে নেমে একাজ করছে। ওয়াসার লোকজনকে মাঠে পাওয়া যায়না। তাদের এ বিষয়ে আন্তরিকতা কম।’

এ সময় তিনি ঢাকা ওয়াসাকে সিটি কর্পোরেশনের সাথে একিভূত করে এই সংস্থাটিকে সিটি কর্পোরেশনের অধীনে দেয়ার দাবি জানান।
মেয়র বলেন, নগরীতে একসাথে ১শ’ থেকে দেড়শ’ মিলিমিটার বৃষ্টি হলে পানি নিষ্কাশন হওয়ার মতো ড্রেনেজ সিস্টেম এ নগরীতে নেই। পরিকল্পনা অনুযায়ী এটা করা হলে এ সমস্যা থেকে রেহাই পাওয়া যেত।

এসময় মেয়রের সাথে ডিএসসিসি’র প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা খান মোহাম্মদ বিলাল, প্রধান প্রকৌশলী ফরাজী শাহাবুদ্দিন আহমদসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।-বাসস