ব্রেকিং নিউজ

সন্ধ্যা ৭:৫৬ ঢাকা, শুক্রবার  ২১শে সেপ্টেম্বর ২০১৮ ইং

‘কথিত বন্দুকযুদ্ধে’ যশোরে জামায়াত কর্মী নিহত

Like & Share করে অন্যকে জানার সুযোগ দিতে পারেন। দ্রুত সংবাদ পেতে sheershamedia.com এর Page এ Like দিয়ে অ্যাক্টিভ থাকতে পারেন।

 

যশোরে পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ শহিদুল ইসলাম নামে এক জামায়াত নেতা নিহত হয়েছেন। শুক্রবার ভোর রাতে সদর উপজেলার রামনগর পিকনিক কর্নার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।নিহত শহিদুল ইসলাম সাতক্ষীরা সদর উপজেলার কাশিমপুর গ্রামের মৃত নুর আলীর ছেলে ও সাতক্ষীরা জেলা জামায়াতের আমীর সাবেক সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ আবদুল খালেকের ভাগ্নে। তিনি সক্রিয় জামায়ত কর্মী ছিলেন।

এ ব্যাপারে পুলিশ জানায়, যশোর সদর উপজেলার রামনগর পিকনিক কর্নার এলাকায় রাত সাড়ে তিনটার দিকে পুলিশ ও সন্ত্রাসীদের মধ্যে গুলিবিনিময়ের এক পর্যায়ে শহিদুল ইসলাম গুলিবিদ্ধ হয়। পুলিশ আহতকে উদ্ধার করে যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে নেয়ার আগেই তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় কোতোয়ালি থানায় মামলা করেছে পুলিশ।

পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়, বুধবার যশোরের শার্শার কায়বা থেকে সাতক্ষীরা জেলা জামায়াতকর্মী শহিদুল ও কলারোয়া উপজেলা সাবেক ছাত্রদল নেতা আব্দুল মজিদকে পুলিশ আটক করেছিল। বৃহস্পতিবার আদালতে নেয়ার সময় তারা যশোর-বেনাপোল মহাসড়কের সদর উপজেলার নতুনহাট এলাকা থেকে পুলিশের কাছ থেকে পালিয়ে যায়। এর ১২ ঘন্টা পর শুক্রবার ভোর রাতে শহিদুল যশোরে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত হয়েছে। তার বিরুদ্ধে সাতক্ষীরা ও কলারোয়া থানায় হত্যা, নাশকতাসহ পাঁচটি মামলা রয়েছে।

পুলিশ বলছে, ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ ৪টি বোমা উদ্ধার করেছে। এসময় সন্ত্রাসীদের ছোঁড়া গুলিতে পুলিশ কনস্টেবল আতিয়ার, শহিদসহ তিনজন আহত হয়েছেন। শহিদুল ও আব্দুল মজিদ পালিয়ে যাওয়ার ঘটনায় তিন পুলিশকে ক্লোজড করা হয়েছে। একই সঙ্গে পালিয়ে যাওয়া আসামি গ্রেফতার করতে পুলিশ সড়ক-মহাসড়কে তল্লাশিসহ বিভিন্নস্থানে অভিযানে নামে। পুলিশের একটি টিম বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে ( রাত ২ টার দিকে) সদর উপজেলার রামনগর পিকনিক কর্নার এলাকায় অবস্থানকালে খুলনামুখী একটি মাইক্রোবাস থামতে বলে। কিন্তু গাড়িটি না থেমে পুলিশের উপর বোমা ও গুলি ছুঁড়ে পালানোর চেষ্টা করে। এসময় পুলিশ আত্মরক্ষায় ২৫ রাউন্ড গুলিবর্ষণ করলে সন্ত্রাসী শহিদুল গুলিবিদ্ধ হয়। অন্যরা পালিয়ে যায়।