ব্রেকিং নিউজ

সকাল ১০:২৯ ঢাকা, মঙ্গলবার  ১৬ই অক্টোবর ২০১৮ ইং

ওজন বাড়ানোর পদ্ধতি-২

মানুষ অভ্যাসের দাস। এই অভ্যাসটিকে যদি খানিকটা পরিবর্তন করতে পারেন তাহলে জীবনে অনেক কিছুই অর্জন করা সম্ভব। যারা ওজন বাড়াতে চান তারা এই পদ্ধতি কাজে লাগাতে পারেন। তবে ওজন বাড়ানোর ক্ষেত্রে যে বিষয়টা মাথায় রাখতে হবে তা হলো লাগামহীন ভাবে ওজন বাড়তে দেয়া যাবেনা। প্রথম দিকে হয়তো কম বাড়বে কিন্তু পরবর্তীতে তা লাগামহীন হয়ে যেতে পারে। এ ক্ষেত্রে সতর্ক থাকতে হবে। গতকালের পরে আজ পর্ব -২ দেয়া হলঃ
ওজন বাড়াতে অভ্যাস পরিবর্তন:
যাদের এজন কম তাদের বেশিরভাগের মধ্যে দেখা যায় খাবার ঠিকমতো চিবিয়ে খান না। খাবার ঠিকমতো না চিবালে হজমও ভাল হয় না। আর হজম ভাল না হলে পুষ্টি ঠিক মতো কাজে লাগে না।
যারা খাবারের পর অত্যাধিক পানিয় যেমন চা কফি পান করেন তাদের অনেক প্রয়োজনীয় খনিজ উপাদান যেমন লৌহ শোষন ব্যহত হয়। এজন্য খাবারের পর অতিরিক্ত পানিয় এমনকি সাধারণ পানি কম পান করা উচিত।রান্না করতে হবে ভাল করে। মনে রাখবেন সুস্বাদু খাবার বা তৃপ্তি নিয়ে আমরা যে খাবার খাই, তা শরীরে বেশি কাজে লাগে। এর জন্য খাবারের সাথে বিভিন্ন রকম ফল এবং সবজি দিয়ে সালাদ বা চাটনি খেতে পারেন।
কিছু বদঅভ্যাস আছে, যেগুলো কাজে লাগিয়ে আমরা ওজন বাড়াতে পারি।যেমন:
– টিভি দেখার সময় খাওয়া
– একই খাবার দিয়ে দিনের শুরু এবং শেষ করা
– প্লেটের সবটুকু খেয়ে শেষ করে ফেলা।
– যাত্রাপথে খাওয়া।

ওজন বাড়াতে সাপ্লিমেন্ট ওষুধ:
কিছু ফুড সাপ্লিমেন্ট আছে যেগুলো ওজন বাড়াতে সাহায্য করে। যেমন কিছু ভিটামিন এবং মিনারেল, হেলথ্‌ ড্রিংক ইত্যাদি। আপনার শরীরের ঘাটতির কথা চিন্তা করে এগুলো গ্রহন করলে উপকার পাওয়া যায়। তবে অপ্রয়োজনীয় ভাবে এগুলো গ্রহনে ক্ষতির সম্ভাবনা আছে। এ জন্য ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী এগুলো ব্যবহার করা উচিত।

স্বাস্থ্যকর ফ্যাট বাছাই করা:
প্রচুর পরিমাণ স্বাস্থ্যকর ফ্যাট খেতে হবে। স্বাস্থ্যকর ফ্যাট বলতে ডিমের কুসুম, প্রাণিজ ফ্যাট, নারকেল দুধ, কলা অর্থাৎ পুষ্টিকর যেসব খাবারের সাথে ফ্যাট পাওয়া যায়। সূত্রঃ ওয়েবসাইট

Like & share করে অন্যকে দেখার সুযোগ দিন