ব্রেকিং নিউজ

দুপুর ১২:০৫ ঢাকা, বৃহস্পতিবার  ২৪শে মে ২০১৮ ইং

এল জি ইডির প্রধান প্রকৌশলী ওয়াহিদুর রহমান

এলজিইডির প্রধান প্রকৌশলী মুক্তিযোদ্ধা সার্টিফিকেট জালিয়াতির ঘটনায় ফেঁসে যাচ্ছেন

শীর্ষ মিডিয়া ৩০ অক্টোবর ঃ  এলজিইডির প্রধান প্রকৌশলী ওয়াহিদুর রহমানের  মুক্তিযোদ্ধা সার্টিফিকেট জালিয়াতির সত্যতা পেয়েছে দুদক। আর জালিয়াতির প্রমাণ পাওয়ায় তার বিরুদ্ধে মামলা করারও সুপারিশ করা হয়েছে।  বুধবার দুদকের উপ-পরিচালক মো. ফরিদ আহমেদ পাটোয়ারী এ সংক্রান্ত প্রতিবেদন কমিশনে জমা দিয়েছেন। মামলার সুপারিশ সংবলিত ওই অনুসন্ধান প্রতিবেদন বর্তমানে দুদকের মহাপরিচালক  মো. জিয়াউদ্দিনের কাছে রয়েছে বলে নির্ভরযোগ্য সূত্র জানিয়েছে।

জানা গেছে, ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা ওয়াহিদুর রহমান জালিয়াতি করেই মুক্তিযোদ্ধার সার্টিফিকেট নিয়েছেন বলে অনুসন্ধানে নিশ্চিত হয়েছে দুদক। আর নিশ্চিত হয়েই তার বিরুদ্ধে মামলার সুপারিশ করা হয়েছে। এর আগে গত ১৫ অক্টোবর মুক্তিযোদ্ধা সার্টিফিকেট জালিয়াতির অভিযোগে এলজিইডির প্রধান প্রকৌশলী ওয়াহিদুর রহমানকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করে দুদক। ২৩ অক্টোবর তাকে দুদক কার্যালয়ে জিজ্ঞাসাবাদও করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদকালে মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে ওয়াহিদুরের সার্টিফিকেটসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংগ্রহ করে দুদক। এসব কাগজপত্র যথাযথভাবে যাচাই-বাছাই করে তার মুক্তিযোদ্ধা সনদ ভুয়া বলে প্রমাণিত হওয়ায় দুদক তার বিরুদ্ধে মামলার সুপারিশ করে কমিশনে প্রতিবেদন দাখিল করে। কমিশন অনুমোদন দিলে দুদক তার বিরুদ্ধে মামলা করবে।

সূত্র জানায়, দুদকের আগে জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থাও (এনএসআই) ওয়াহিদুর রহমানের সার্টিফিকেট জালিয়াতির সত্যতা পেয়েছে।  আর এনএসআই’র রিপোর্টের  প্রেক্ষিতেই দুদক তদন্ত  শুরু করে।  এই তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয় দুদকের উপ-পরিচালক মো. ফরিদ আহমেদ পাটোয়ারীকে। এরপর তিনি এ সংক্রান্ত  তথ্য সংগ্রহের কাজ শুরু করেন।

জানা যায়, শুধু ওয়াহিদুর রহমান একা নন, তার স্ত্রী সুফিয়া খাতুন এবং শ্যালক  মো. মহিউদ্দিনও জালিয়াতির মাধ্যমে মুক্তিযোদ্ধার  সার্টিফিকেট নিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এদিকে, ওয়াহিদুর রহমানের স্ত্রী সুফিয়া খাতুন ও শ্যালক মহিউদ্দিনের সার্টিফিকেট জালিয়াতির তদন্ত  শুরু করেছে এনএসআই। হিসাব করে দেখা গেছে, মুক্তিযুদ্ধের সময় সুফিয়া খাতুনের বয়স ছিলো ৯ বছর।