ব্রেকিং নিউজ

ভোর ৫:৫৪ ঢাকা, সোমবার  ২২শে অক্টোবর ২০১৮ ইং

ফাইল ফটো

এলজিআরডিতে অভিজ্ঞ মন্ত্রী মোশাররফ হোসেন

এলজিআরডিতে অভিজ্ঞ সাবেক প্রধান প্রকৌশলী মন্ত্রী মোশাররফ হোসেন, তিনি যে মন্ত্রণালয়ের অধীন প্রকৌশল বিভাগের প্রধান প্রকৌশলী ছিলেন, ৩৫ বছর পর সেই মন্ত্রণালয়েরই মন্ত্রী হলেন ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেন। বৃহস্পতিবার এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

তবে বিষয়টি নিয়ে নানা জল্পনা কল্পনা চলছে। কারণ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলামকে সরিয়ে রাজনীতিতে আকস্মিক আবির্ভুত খন্দকার মোশাররফকে স্থলাভিষিক্ত করা হয়েছে।এর আগে অবশ্য নানা বিষয়ে মতবিরোধের জেরে সৈয়দ আশরাফই নিজ থেকে অব্যাহতি চেয়েছিলেন বলে জানা যায়।

খন্দকার মোশাররফ হোসেন বর্তমানে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে রয়েছেন। তবে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় (এলজিআরডি) মন্ত্রণালয়ে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতা তার রয়েছে।

এলজিআরডি মন্ত্রণালয়ের অধীন এলজিইডির প্রতিষ্ঠাতা প্রধান প্রকৌশলী ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেন। প্রতিষ্ঠার পর ১৯৬৯ থেকে ১৯৮০ সাল পর্যন্ত তিনি এ দায়িত্ব পালন করেন।

প্রতিষ্ঠার পর এটির নাম ছিল পল্লী পূর্ত কর্মসূচি। ১৯৮৪ সালে নাম পরিবর্তন করে রাখা হয় এলজিইবি (লোকাল গভর্নমেন্ট ব্যুরো)।
বর্তমান এলজিইডি (লোকাল গভর্নমেন্ট ইঞ্জিয়ারিং ডিপার্টমেন্ট) নামকরণ হয় ১৯৯২ সালে।

কর্মক্ষেত্রের সব জায়গাতেই সুনাম কুড়িয়েছেন খন্দকার মোশাররফ হোসেন। জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) চিফ টেকনিক্যাল কলসালট্যান্ট পদে চাকরি নিয়ে ১৯৮০ সালে তিনি আফ্রিকার দেশ সিয়েরা লিওনে যান। সেখানে তার কাজে সন্তুষ্ট হয়ে দেশটির সরকার তাকে সম্মানজনক নাগরিকত্ব দেয়। পরে উগান্ডাতেও সাফল্যের সঙ্গে একই দায়িত্ব পালন করেন খন্দকার মোশাররফ।

প্রকৌশলী হিসেবে দেশে বিদেশে সাফলতার স্বাক্ষর রাখলেও প্রকাশ্য রাজনীতিতে তার আবির্ভাব বলতে গেলে আকস্মিক। ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন, বঙ্গবন্ধুর আদর্শের প্রতিও রয়েছে তার অগাধ আস্থা। তবে চাকরির কারণে কখনো প্রত্যক্ষ রাজনীতি করার সুযোগ হয়নি।

২০০৮ সালে ফরিদপুর-৩ (সদর) আসন থেকে বিপুল ভোটে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর দায়িত্ব পান খন্দকার মোশাররফ হোসেন।