ব্রেকিং নিউজ

রাত ১০:০১ ঢাকা, রবিবার  ২৩শে সেপ্টেম্বর ২০১৮ ইং

এমপির বিরুদ্ধে নির্বাচন কর্মকর্তাকে মারধরে মামলা

চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা জাহিদুল ইসলামকে মারধরের ঘটনায় স্থানীয় সংসদ সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরীর বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।শুক্রবার দুপুরে দণ্ডবিধির ৩৫৩/৩৪৩/৩৪ ধারায় এমপি মোস্তাফিজসহ স্থানীয় আরও কয়েকজন আওয়ামী লীগ নেতাকে আসামি করে এ মামলা করেন জাহিদুল ইসলাম।

মামলা হওয়ার কথা নিশ্চিত করে চট্টগ্রামের এসপি এ কে এম হাফিজ আখতার গণমাধ্যমকে বলেন, মামলায় এমপি ছাড়াও আরও কয়েকজনকে আসামি করা হয়েছে। তবে আসামিদের বিস্তারিত জানাতে পারেননি তিনি।

গত বুধবার ১১টার দিকে বাঁশখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা-ইউএনও কার্যালয়ে নির্বাচন কর্মকর্তা জাহিদুল ইসলামকে ডেকেন নেন এমপি মোস্তাফিজুর।

সেখানে পৌঁছানোর পর  দরজা বন্ধ করে জাহিদুলকে মারধর করেন এমপি ও তার সহযোগীরা।

জাহিদুলের অভিযোগ, বাঁশখালীর ৪ নম্বর বাহারছড়া ইউনিয়ন পরিষদে-ইউপি নৌকা প্রতীকের চেয়ারম্যানপ্রার্থী তাজুল ইসলাম তার পছন্দমতো প্রিজাইডিং কর্মকর্তা নিয়োগের একটি ফর্দ দেন। কিন্তু প্রার্থীর পছন্দ অনুযায়ী তিনি কর্মকর্তা নিয়োগ দেননি।

তিনি বলেন, ফর্দ অনুযায়ী প্রিজাইডিং কর্মকর্তা নিয়োগ না দেয়ায় এমপি তাকে ডেকে নিয়ে অকথ্য ভাষায় গালাগাল করেন। এক পর্যায়ে তিনি কিল-ঘুষি মারতে থাকেন। এ সময় এমপির সঙ্গে থাকা আওয়ামী লীগের প্রার্থী তাজুল এবং ওলামা লীগ নেতা মাওলানা আক্তারসহ আরও কয়েকজনও তাকে মারধর করেন।

ঘটনার পর বুধবারই নির্বাচন কমিশন-ইসি সচিব মো. সিরাজুল ইসলাম বলেন, উপজেলার নির্বাচন কর্মকর্তা জাহিদুল ইসলামকে মারধরের অভিযোগে মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরীর বিরুদ্ধে মামলা করা হবে। জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা প্রচলিত আইনে এই মামলা করবেন।

এছাড়া মারধরের ঘটনার পর সুষ্ঠু ও নির্বিঘ্ন নির্বাচনের পরিবেশ বিনষ্ট হওয়ায় বাঁশখালী উপজেলার সব ইউপির নির্বাচন স্থগিত ঘোষণা করেন সচিব।

এরপর বৃহস্পতিবার দুপুরে নির্বাচন কমিশন থেকে মৌখিকভাবে এবং বিকাল ৫টার পর লিখিতভাবে মামলা করার আদেশ দেয়া হয়। এর অনুলিপি বাঁশখালী থানায়ও পাঠানো হয়।