Sheersha Media

ব্রেকিং নিউজ

রাত ১০:৩৬ ঢাকা, মঙ্গলবার  ২০শে নভেম্বর ২০১৮ ইং

এমএলএম কোম্পানি নিউওয়ের সভাপতির অ্যাকাউন্টে শত কোটি টাকা

সাধারণ জনগণকে অধিক মুনাফা দেখিয়ে ‘নিউওয়ে’ নামে একটি মাল্টি লেভেল মার্কেটিং (এমএলএম) কোম্পানি হাতিয়ে নিয়েছে প্রায় ২ হাজার কোটি টাকা।

কোম্পানিতে বিনিয়োগের বিপরীতে সাধারণ মানুষ থেকে এসব টাকা নেওয়া হলেও প্রতিষ্ঠানটির সভাপতি বিপুল পরিমাণ অর্থ ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্টে সরিয়ে নিয়েছেন। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) অনুসন্ধানে এসব তথ্য বেরিয়ে এসেছে।

দুদক সূত্র জানায়, গ্রাহকের টাকা সরিয়ে নিতে নিউওয়ের সভাপতি সঞ্জিত কুমার ২১টি বেসরকারি ব্যাংকে নামে-বেনামে ৬০টি অ্যাকাউন্ট খোলেন। পরে এসব অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে গ্রাহকদের প্রায় শত কোটি টাকা হাতিয়ে নেন তিনি।

দুদক সূত্র জানায়, প্রতারণার মাধ্যমে কয়েক হাজার গ্রাহকের কাছ থেকে প্রায় ২ হাজার কোটি টাকা হাতিয়ে নেয় এমএলএম কোম্পানি নিউওয়ে বাংলাদেশ প্রাইভেট লিমিটেড। বিষয়টি অভিযোগ আকারে এলে কমিশন অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নেয়। দুদকের উপ-পরিচালক মঞ্জুর মোরশেদ এ অভিযোগ অনুসন্ধান করছেন।

অনুসন্ধান প্রক্রিয়ায় ইতোমধ্যে বেশ কিছু রেকর্ডপত্র দুদক পেলেও বেসরকারি ২১টি ব্যাংক ১৮৯১ সালের ব্যাংকার্স বুক অ্যাভিডেন্স অ্যাক্টের ৫ ধারা এবং ৬(১) ধারা অনুযায়ী দুদককে গ্রাহকের টাকা আত্মসাতকারী ব্যক্তিদের অ্যাকাউন্টে লেনদেন সংক্রান্ত তথ্য ও রেকর্ড সরবরাহে অস্বীকৃতি জানায়।

এর প্রেক্ষিতে দুদক আইন অনুযায়ী ব্যাংক রেকর্ড হস্তগত করার জন্য গত ২০ মে আদালতের নির্দেশনা নেয়। ওই নির্দেশনার ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলোর কাছে অভিযুক্ত ১৫ ব্যক্তির আর্থিক লেনদেনের রেকর্ডপত্র তলব করে দুদক। আদালতের নির্দেশনার পর আরও তথ্য বেরিয়ে আসবে বলে মনে করছে দুদক।