ব্রেকিং নিউজ

দুপুর ১:২৬ ঢাকা, শুক্রবার  ২২শে জুন ২০১৮ ইং

এবার সুন্দরবনের কাছে পশুর নদীতে কয়লা বোঝাই জাহাজ ডুবিতে ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা

মংলা বন্দরের পশুর চ্যানেলে কয়লাবোঝাই জাহাজ ডুবিতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। সেই শঙ্কা থেকেই জাহাজ কর্তৃপক্ষের কাছে অন্তত পাঁচ কোটি টাকার ক্ষতিপূরণ চেয়ে মামলা করেছে বন বিভাগ।

বুধবার বিকেলে মংলা থানায় এই মামলা দায়ের করা হয়। সুন্দরবন পূর্ব বিভাগের চাঁদপাই স্টেশন কর্মকর্তা ফরেস্ট রেঞ্জার গাজী মতিয়ার রহমান বাদী হয়ে মামলাটি করেছেন।
মামলায় ঢাকার শেখ ব্রাদাস নামের কোম্পানির ডুবে যাওয়া এম.ভি জিয়া রাজ কার্গো জাহাজের মালিক দিল খান ও মাস্টার ভুলু গাজীকে আসামি করা হয়েছে।
সর্বশেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ডুবে যাওয়া কয়লাবোঝাই জাহাজ উদ্ধার এবং দুর্ঘটনাকবলিত স্থান চিহ্নিত করতে এখন পর্যন্ত কোনো কার্যক্রম শুরু করেনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
মংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের ট্রাফিক পরিচালক কাজী গোলাম মোক্তাদের জানিয়েছেন, জাহাজটি বর্তমানে মুল চ্যানেলের বাইরে নিমজ্জিত থাকায় এই চ্যানেল দিয়ে জাহাজ ও নৌযান চলাচল সম্পূর্ণ ঝুঁকিমুক্ত রয়েছে। তবে প্রবল স্রোতের টানে এটি নদীর ভেতরের দিকে গেলে ঝুঁকি বেড়ে যেতে পারে।

কয়লাবোঝাই জাহাজ ডুবিতে বিশেষজ্ঞদের মতে, কয়লায় কার্বন রয়েছে। সেহেতু জলজ প্রাণী ও সুন্দরবন এবং পশুর নদীর প্রাণীবৈচিত্র-জীববৈচিত্রের ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে।

মংলা বন্দরের পশুর নদীতে গতকাল মঙ্গলবার রাত নয়টায় কয়লাবোঝাই জাহাজটি ডুবে যায়। কার্গো জাহাজে থাকা ১২ নাবিক সাঁতরে তীরে উঠতে সক্ষম হন।
পূর্ব সুন্দরবনের চাঁদপাই রেঞ্জের সহকারী বন সংরক্ষক মো. বেলায়েত হোসেন জানান, এমভি জিয়ারাজ নামে একটি কার্গো জাহাজ মংলা বন্দরের পশুর চ্যানেলের হাড়বাড়িয়া এলাকায় অবস্থানরত বিদেশি জাহাজ এমভি গ্লোবস্টোন থেকে প্রায় ৬০০ মেট্রিক টন কয়লা বোঝাই করে গতকাল রাত আটটার দিকে যশোরের নওয়াপাড়ার উদ্দেশে রওনা হয়। জাহাজটি রাত নয়টার দিকে পশুর চ্যানেলের জয়মণি এলাকা অতিক্রমকালে ডুবোচরে আটকা পড়ে তলা ফেটে ডুবে যায়।