ব্রেকিং নিউজ

সকাল ৬:০৪ ঢাকা, শনিবার  ১৭ই নভেম্বর ২০১৮ ইং

ফাইল ফটো

এবারই শেষ পে-স্কেল : অর্থমন্ত্রী

অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত এমপি বলেছেন, অষ্টম জাতীয় পে-স্কেল ঘোষণার প্রক্রিয়া চলছে। তবে এবারই শেষ পে-স্কেল, পরবর্তীতে নতুন করে কোন পে-স্কেল গঠন করা হবে না।
তিনি আরও বলেন, বেতন কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো পরবর্তী পাঁচ বছর অন্তর অন্তর সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারিদের বেতন-ভাতা বাড়ার একটি নির্দেশনা থাকবে।
তিনি আজ সিলেট সার্কিট হাউসে সাংবাদিক সম্মেলনে এ কথা বলেন।
অর্থমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার দুই ধাপে ক্ষমতায় থাকার ফলে দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন কার্যক্রম অনেক শক্তিশালী হয়েছে। দেশ এখন উন্নয়নের তরীতে যাত্রা করছে।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারিদের জন্য একটি বেতন স্কেল গঠন করে। পরবর্তীতে আরেকটি পে-স্কেল গঠনের আশ্বাস দেয়। এটি বর্তমানে আইন মন্ত্রণালয়ে অনুমোদনের জন্য পাঠানো হয়েছে।
অপর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সাংবাদিকদের জন্য সরকার অষ্টম ওয়েজ বোর্ড গঠন করে দেয়। টেলিভিশন সাংবাদিকদের জন্য আলাদা কোন ওয়েজ বোর্ড গঠনের বিষয়ে তার জানা নেই। তথ্য মন্ত্রণালয় বিষয়টি জানতে পারে বলে তিনি উল্লেখ করেন। আগামীতে নবম ওয়েজ বোর্ড গঠনের কোন প্রস্তাব এলে তা বিবেচনা করা হবে বলে অর্থমন্ত্রী জানান।
এরআগে দুপুর ১২টায় সিলেটের রিকাবীবাজারস্থ কবি নজরুল ইসলাম মিলনায়তনে জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগের কর্মীসভায় মন্ত্রী প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন।
সেখানে তিনি বলেন, ২০১৮ সালে জাতিসংঘের বিশেষ কমিটির সভায় বাংলাদেশ মধ্যম আয়ের দেশ হিসেবে স্বীকৃতি পাবে বলে তাদের সরকারের ধারণা। মধ্য আয়ের দেশে পরিণত হতে গেলে ২০২১ সালের মধ্যে আমদানি ও রপ্তানীসহ অন্যান্য ক্ষেত্রে যেসব সাহায্য-সহযোগিতা পাওয়া যায়, সেগুলো কমে আসবে।
অর্থমন্ত্রী বলেন, গত ৫ বছর বেগম খালেদা জিয়া উন্নয়নে বাধা সৃষ্টি করেছেন। দেশেব্যাপি জ্বালাও-পোড়াও করেছেন। তারপরও বিশ্বব্যাংকে স্বল্পউন্নত ৪৮ দেশের মধ্যে শিক্ষা, শিল্প, কৃষি ও মানব উন্নয়ন সূচকে বাংলাদেশ নেতৃত্ব স্থানে রয়েছে।
গত বাজেট ৩ লাখ কোটি টাকা ছিল উল্লেখ করে আগামী বাজেটের আকার ৩ লাখ ৪০ হাজার কোটি টাকা হতে পারে বলে অর্থমন্ত্রী ধারণা দেন। এতে বাজেটের আকার আরো ৪০ হাজার কোটি টাকা বৃদ্ধি পেতে পারে।
আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেন, ২০০৯ সালের নির্বাচনে শেখ হাসিনা আওয়ামী লীগের নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করেছিলেন। সেই ইশতেহার ছিল ২০২১ সালের বাংলাদেশকে মধ্যম আয়ের ও ডিজিটাল হিসেবে গড়ে তোলার। সরকার ইশতেহার বাস্তবায়নের পথেই রয়েছে।
সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগর সভাপতি বদর উদ্দিন আহমদ কামরানের সভাপতিত্বে ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শফিকুর রহমানের পরিচালনায় সভায় বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মিসবাহ উদ্দিন সিরাজ, জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি অ্যাডভোকেট লুৎফুর রহমান, সহ-সভাপতি আশফাক আহমদ, মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আসাদ উদ্দিন আহমদ, অর্থমন্ত্রীর ছোট ভাই জাতিসংঘস্থ বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনের সাবেক প্রতিনিধি ও রাষ্ট্রদূত ড. আবুল কাশেম আবদুল মোমেন প্রমুখ।