Sheersha Media

ব্রেকিং নিউজ

রাত ১:৩৮ ঢাকা, বৃহস্পতিবার  ১৫ই নভেম্বর ২০১৮ ইং

এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি)
এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি)

এডিবি’র ঋণ ও অর্থায়নে ৫০ বছরের মধ্যে রেকর্ড

এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) পঞ্চাশ বছরের ইতিহাসে প্রথমবার ঋণদান ও সহ-অর্থায়ন গতবছর ৩০ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে গেছে।

আঞ্চলিক উন্নয়নে অর্থায়ন এবং অভিজ্ঞতা বিশেষ করে অবকাঠামো উন্নয়ন অব্যাহত থাকায় ব্যাংকের এই ঋণ ও অর্থায়ন বৃদ্ধি পেয়েছে।

সহ-অর্থায়ন এবং মোট ঋণ বিতরণ ২০১৬ সালে দাঁড়িয়েছে ৩১ দশমিক ৭০ বিলিয়ন ডলার, যা ২০১৫ সাল থেকে ১৮ শতাংশ বেশি।

আজ প্রকাশিত ব্যাংকের ২০১৬ সালের বার্ষিক প্রতিবেদনে (এআর) একথা বলা হয়।

এর মধ্যে ১৭ দশমিক ৪৭ বিলিয়ন ডলার অনুমোদন করা হয় ঋণ ও গ্রান্ড হিসেবে, ১৬৯ মিলিয়ন ডলার কারিগরি সহায়তার জন্য এবং ১৪ দশমিক শূন্য ৬ বিলিয়ন কো-ফাইন্যান্সিং করা হয়েছে যা ২০১৫ সালের চেয়ে ৩১ শতাংশ বেশি।

এতে বলা হয়, সফলভাবে প্রকল্প বাস্তবায়নে প্রধান সূচক অর্থ বিতরণ যা ২০১৬ সালে সর্বোচ্চ ১২ দশমিক ২৬ বিলিয়ন ডলার দাঁড়িয়েছে।

বেসরকারি খাতে ঋণদান এডিবির ইতিহাসে দ্বিতীয়বার ২ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলার দাঁড়িয়েছে। এতে এশিয়া এবং প্রশান্ত মহাসাগরীয় এলাকায় জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন, অধিক মান সম্পন্ন আরো কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে বেসরকারি উদ্যোক্তাদের সহযোগিতা জোরদারে এডিবি’র দীর্ঘমেয়াদী কৌশল প্রতিফলিত হয়েছে। এছাড়া নিজস্ব তহবিল থেকে বেসরকারি খাতে এডিবি’র সহ অর্থায়ন রেকর্ড ৫ দশমিক ৮৪ বিলিয়ন ডলার যা ২০১৫ সালের চেয়ে ১ দশমিক ২ বিলিয়ন ডলার বেশি।

‘এশিয় ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে উন্নয়ন অর্থায়ন বৃদ্ধি ও অঞ্চলের মানুষের জীবন মানের উন্নয়নে আমাদের জোরালো অঙ্গীকারের প্রতিফলন’ এ কথা উল্লেখ করে এডিবি’র প্রেসিডেন্ট তাকিহিতো নাকাও বলেন, ‘উন্নয়ন বছর উদযাপন করছে, আমাদের সদস্য দেশগুলোর উন্নয়নে প্রয়োজনীয় চাহিদা মেটাতে আমরা আমাদের চেষ্টা আরো জোরদার করবো।’

২০১৬ বার্ষিক রিপোর্টে গত পঞ্চাশ বছরে এশিয় ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে উল্লেখযোগ্য ও অর্থনৈতিক পরিবর্তন তুলে ধরা হয়। জনগণের জীবনযাত্রার উন্নয়নে এডিবি’র সহায়তা কার্যকর ভূমিকা পালন করেছে। রিপোর্টে এ অঞ্চলের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও দারিদ্র্য হ্রাসে বিরাট সাফল্যের কথা তুলে ধরা হয়।

নাকাও বলেন, এশিয় এবং প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে এখনো ৩৩কোটি মানুষ চরম দারিদ্র্য সীমায় বাস করছে। অবকাঠামোর ঘাটতি এখনো এ অঞ্চলে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, দারিদ্র্য দূরীকরণে অব্যাহত বাধা হয়ে আছে।