ব্রেকিং নিউজ

দুপুর ১:১৯ ঢাকা, মঙ্গলবার  ২৫শে সেপ্টেম্বর ২০১৮ ইং

অর্থমন্ত্রী মুহিত
অর্থমন্ত্রী এএমএ মুহিত, ফাইল ফটো

এডিআরের মাধ্যমে রাজস্ব বাড়াতে হবে : অর্থমন্ত্রী

অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত রাজস্ব আয় বাড়াতে রাজস্ব সংক্রান্ত মামলাসমূহ বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির (এডিআর) মাধ্যমে নিষ্পন্নের আহ্বান জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, ‘আমরা রাজস্ব মামলা নিষ্পত্তির সহজ পন্থা হিসেবে এডিআর পদ্বতি চালু করেছি। এর মাধ্যমে রাজস্ব আয় বৃদ্ধি করা সম্ভব।’
কাস্টমস্ দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার রাজধানীর অফিসার্স ক্লাব মিলনায়তনে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)
আয়োজিত এক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
এনবিআর চেয়ারম্যান মো. নজিবুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ,প্রধানমন্ত্রীর অর্থনৈতিক উপদেষ্টা ড. মসিউর রহমান, অর্থ মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক, বাংলাদেশ শিল্প ও বণিক সমিতি ফেডারেশনের (এফীবসিসিআই) সভাপতি আব্দুল মাতলুব আহমাদ বক্তব্য রাখেন।
অর্থমন্ত্রী বলেন, তার ইচ্ছা আগামী মে মাসে নতুন শুল্কনীতি পাসের জন্য জাতীয় সংসদে উপস্থাপন করবেন। এজন্য তিনি বর্তমান শুল্কনীতিতে কী ধরনের পরিবর্তন প্রয়োজন সে বিষয়ে ব্যবসায়ীদের মতামত চান।
তিনি বলেন, ‘এখনো অনেক সময় আছে, আপনারা মতামত দেন।’
আগামী মাস থেকে নতুন বাজেটের কাজ শুরু হবে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘আপনারা (ব্যবসায়ী) এখন থেকেই আপনাদের পরামর্শগুলো দেন। এ পরামর্শগুলো অর্থ মন্ত্রণালয়, এনবিআরসহ বিভিন্ন দফতরে পাঠান।’
অনুষ্ঠানে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, দেশীয় শিল্পকে গুরুত্ব দিয়ে শুল্কনীতি করতে হবে। রাজস্ব আহরণের নামে সাধারণ মানুষ যাতে হয়রানির শিকার না হন সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।
তিনি বলেন, বর্তমান সরকার ব্যবসাবান্ধব সরকার। প্রধানমন্ত্রী নিজে ব্যবসা করেন না, কিন্তু ব্যবসাকে গুরুত্ব দেন।
প্রধানমন্ত্রীর অর্থনৈতিক উপদেষ্টা ড. মসিউর রহমান বলেন, অভ্যন্তরীণ সম্পদ যাতে বিনিয়োগে আসে, সেদিকে খেয়াল রেখে শুল্কনীতি করতে হবে।
সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ড. আব্দুর রাজ্জাক বলেন, বিমানবন্দর থেকে ৫০ থেকে ৬০ কেজি স্বর্ণ জব্দ করা হয়েছে। এর আড়ালে আরো কোন চালান থাকলে, জাতীয়ভাবে আমাদের এটি বন্ধ করতে হবে। বাংলাদেশকে চোরাচালানের দেশ হতে দেয়া যাবে না।
এফবিসিসিআই সভাপতি মাতলুব আহমাদ বলেন, বর্তমানে ব্যবসায়ীদের দুটি বিষয় ক্যানসার হয়ে আছে। এর একটি ৬০ হাজার কোটি টাকা খেলাপি ঋণ। ব্যবসায়ীদের কাছে ব্যাংক এ টাকা পায়। আর একটি হলো ব্যবসায়ীদের কাছে ৩১ হাজার কোটি টাকা পাবে এনবিআর।