শীর্ষ মিডিয়া

ব্রেকিং নিউজ

সন্ধ্যা ৭:১৩ ঢাকা, মঙ্গলবার  ২২শে জানুয়ারি ২০১৯ ইং

মওদুদ আহমদ
মওদুদ আহমদ, ফাইল ফটো

এটা নির্বাচন নয়, নির্বাচনের নামে ত্রাসের রাজত্ব : মওদুদ

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও একাদশ জাতীয় নির্বাচন নোয়াখালী-৫ (কোম্পানীগঞ্জ-নোয়াখালী) আসনের প্রার্থী ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ বলেন, এটা কোনো নির্বাচন নয়, এখানে নির্বাচনের নামে ত্রাসের রাজত্ব চলছে। এটাকে নির্বাচন না বলে সরকারি দলের দুর্বৃত্তায়ন বলা চলে।

তিনি বলেন, এখানে সামান্যতম নির্বাচনী পরিবেশ নেই। দেশবাসী যদি ভোট দিতে না পারে তাহলে এ সরকারের জন্য কলঙ্ক হবে এবং গণতন্ত্রের মৃত্যু ঘটবে বাংলাদেশে।

বুধবার বিকালে নিজ নির্বাচনী এলাকা নোয়াখালী-৫ (কোম্পানীগঞ্জ-নোয়াখালী) আসনের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার সিরাজপুর ইউনিয়নের মানিকপুরে নিজ বাসভবনে সংবাদ সম্মেলনে মওদুদ আহমদ এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, এ অবস্থা যদি সারা দেশে হয় তাহলে নির্বাচনের ওপর মানুষের বিশ্বাস একেবারেই চলে যাবে। আর কোনো আস্থা কোনোদিন থাকবে না। তবে আমি এখনো আশাবাদী ভোটাররা যদি নির্বাচনের দিন ভোটকেন্দ্রে গিয়ে নির্বিঘ্নে ভোট দিতে পারে তাহলে আমার মতো সারা দেশে ধানের শীষের প্রার্থীরা বিপুল ভোটে জয়লাভ করবে।

ব্যারিস্টার মওদুদ বলেন, দেশের মানুষ জাতীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে দেখুক দলীয় সরকারের অধীনে কেমন নির্বাচন হয়। এটা একটা সুযোগ ছিল আওয়ামী লীগের প্রমাণ করার জন্য যে, দলীয় সরকারের অধীনেও সুষ্ঠু নির্বাচন করা যায়। কিন্তু তারা ক্ষমতার লোভে পেশিশক্তি দিয়ে, পুলিশের শক্তি দিয়ে ও বল প্রয়োগ করে নির্বাচন করতে চাইছে।

তিনি বলেন, আমি রিটার্নিং অফিসার, সহকারী রিটার্নিং অফিসার, সেনাবাহিনীর জেলার দায়িত্বে থাকা লে. কর্নেল মুনির, কোম্পানীগঞ্জে মেজর মোস্তফা ও থানার ওসিসহ সবাইকে জানিয়েছি। কিন্ত কোনো লাভ হচ্ছে না। এমন পরিস্থিতিতেই আমাকে নির্বাচন চালিয়ে যেতে হচ্ছে। জানি আরও অনেক বিপদ আমাদের সামনে আছে। তারপরও আমি শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত নির্বাচন চালিয়ে যাব।

সংবাদ সম্মেলনে প্রশাসন ও সরকার দলের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে মওদুদ বলেন, আমার দলের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে ৩১টি মামলা দেয়া হয়েছে। এসব মামলায় ৯৬৫ জনকে এজাহারভুক্ত আসামি করা হয়েছে এবং অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে ১ হাজার ৬৪৯ জনকে। গত ১০ তারিখের পর থেকে আজ অবধি ৭৬৬ জনকে আহত করা হয়েছে।

তিনি বলেন, আমার নির্বাচনী কাজে যারা মূল কাজ করার কথা তাদের মধ্যে ৭৮ জনকে জেলে দেয়া হয়েছে। তিনি সাংবাদিকদের কাছে প্রশ্ন রাখেন এটা কি নির্বাচনী পরিবেশ?

সংবাদ সম্মেলনে উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মো. জাহাঙ্গির আলম, পৌরসভা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মমিনুল হক, নোয়াখালী জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আবু হাসান মো. নোমান, উপজেলা যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক মেহেদী হাসান টিপু, কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক আতাউর রহমান পাভেল, পৌরসভা ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক আরিফুল হক আরিফ প্রমুখ।