এটা তো ন্যূনতম

অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেছেন, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ভ্যাট নিয়ে তিনি আন্দোলনের কোনো যৌক্তিকতা পান না। কারণ, এটা ন্যূনতম। গতকাল শুক্রবার রাজধানীর একটি হোটেলে ডেইলি স্টার-ডিএইচএল বাংলাদেশ বিজনেস অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠান শুরু হওয়ার আগে অর্থমন্ত্রী সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।
অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘প্রাইভেট ইউনিভার্সিটির ছাত্র যাঁরা, আমাদের দেশের অবস্থান বিবেচনায় তাঁরা বিত্তশালী। আমি ৩০টি কলেজের স্টেটমেন্ট নিয়ে হিসাব করে দেখেছি, তাঁদের দৈনিক খরচ এক হাজার টাকা। মাসে প্রত্যেকে ৩০ হাজার টাকা খরচ করেন। ৩০ হাজার টাকা যেখানে খরচ করেন, সেখানে আমি কত চাচ্ছি? ৭৫ টাকা। সেটা না দেওয়ার কোনো যৌক্তিকতা আমি বুঝি না। তাঁদের যে প্রতিষ্ঠান আছে, তারা এ পয়সাটা দেবে। সে জন্য আমি তাঁদের আন্দোলনের কোনো যৌক্তিকতা পাই না।’
সাংবাদিকদের অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, ‘৭ দশমিক ৫ শতাংশ ভ্যাট থাকবে। এটা তো ন্যূনতম। যেখানে অন্য খাতে ১৫ শতাংশ ভ্যাট আদায় করা হয়, সেখানে মাত্র ৭ দশমিক ৫ শতাংশ।’ তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের আপত্তির কারণে এবার সমঝোতা করা হয়েছে। এনবিআরের নির্দেশনা অনুযায়ী বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়কে তা দিতে হবে।
এর আগে গত বৃহস্পতিবার বিকেলে সিলেট সার্কিট হাউসে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী একই প্রসঙ্গে বলেন, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ওপর আরোপিত মূসক প্রত্যাহার করা হবে না।
ভ্যাট না দেওয়ার পরামর্শ
আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক হাছান মাহমুদ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের এক টাকাও ভ্যাট না দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। গতকাল ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে বঙ্গবন্ধু স্বাধীনতা পরিষদ আয়োজিত এক আলোচনা সভায় হাছান মাহমুদ এ পরামর্শ দেন। এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। হাছান মাহমুদ বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় কোনো লাভজনক প্রতিষ্ঠান নয়। ভ্যাটের অজুহাতে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে এক টাকাও বেশি নেওয়া যাবে না। ভ্যাট দেবে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। তিনি আরও বলেন, শিক্ষকদের ব্যাপারে কথা বলার সময় সতর্ক হওয়া উচিত। কেউ যেন অবমাননাকর কোনো মন্তব্য না করেন।