ব্রেকিং নিউজ

দুপুর ১২:৫৮ ঢাকা, রবিবার  ২৩শে সেপ্টেম্বর ২০১৮ ইং

একনেকে প্রায় ৭২৭৭ কোটি টাকার ১০টি প্রকল্প অনুমোদিত

জাতীয় অর্থনীতির নির্বাহী কমিটির (একনেক) বৈঠকে গভীর সমুদ্র বন্দরে নোঙ্গর করা ভেসেল থেকে আমদানিকৃত অপরিশোধিত তেল সহজে ও কম সময়ের মধ্যে খালাস করার জন্য ‘ইনস্টলেশন অব সিঙ্গল পয়েন্ট মরিং উইথ ডাবল পাইপ লাইন প্রকল্প’সহ ৭ হাজার ২শ’ ৭৬ কোটি ৩৬ লাখ টাকা ব্যয়ের ১০টি প্রকল্প অনুমোদন দিয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী ও একনেক চেয়ারপারসন শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে শেরে বাংলানগরে এনইসি মিলনায়তনে জাতীয় অর্থনৈতিক নির্বাহী পরিষদের বৈঠকে আজ এই অনুমোদন দেয়া হয়।
একনেক বৈঠক শেষে পরিকল্পনা মন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল প্রেস ব্রিফিংয়ে বলেন, দেশের অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর আর্থিক নিরাপত্তা এবং তাদের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে জননেত্রী শেখ হাসিনার সরকার বদ্ধপরিকর। সরকার একবিংশ শতাব্দির চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন করছে। অগ্রগতির এ ধারা অব্যাহত থাকলে ২০২১ সালের আগেই বাংলাদেশ মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হবে।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান, একনেক অনুমোদিত প্রকল্পসমূহ অন্য কোন আইনের সাথে সাংঘর্ষিক নয়। তিনি জানান, ৪ হাজার ৯শ’ ৩৫ কোটি ৯৭ লাখ টাকা ব্যয়ে ‘ইনস্টলেশন অব সিঙ্গল পয়েন্ট মরিং উইথ ডাবল পাইপ লাইন প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে ৫ থেকে ৬ বছরের মধ্যে প্রকল্পের খরচ উঠে আসবে। এ ছাড়া পাইপ লাইনের মাধ্যমে বন্দর থেকে রাজধানীসহ পর্যায়ক্রমে তেল সরবরাহ করার বিষয়টিও সরকারের সক্রিয় বিবেচনাধীন রয়েছে।
এ প্রকল্পটির প্রাক্কলিত ব্যয় ৪৯৩৫.৯৭ কোটি টাকা। এর মধ্যে জিওবি ৯২০.৮৭ কোটি টাকা, প্রকল্প সাহায্য ৩৯০৩.২০ কোটি টাকা এবং সংস্থার নিজস্ব তহবিল থেকে ১১১.৯০ কোটি টাকা পাওয়া যাবে।
মন্ত্রী জানান, দেশের নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে পশ্চিমাঞ্চলীয় গ্রীড নেটওয়ার্ক উন্নয়ন” প্রকল্পে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখবে।
একনেক অনুমোদিত অপর প্রকল্পসমূহ হচ্ছে- অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের ‘চট্টগ্রাম, মংলা, আইসিডি কমলাপুর এবং বেনাপোল কাস্টম হাউজের জন্য কন্টেইনার স্ক্যানার ক্রয় প্রকল্প, সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের “বাকেরগঞ্জ পাদ্রীশবিপুর-কাঁঠালতলি-সুবিদখালী-বরগুনা সড়ক প্রশস্তকরণ ও মজবুতিকরণ” প্রকল্প, স্থানীয় সরকার বিভাগের “বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের বিভিন্ন সড়ক প্রশস্তকরণসহ উন্নয়ন এবং ব্রীজ কালভার্ট নির্মাণ” প্রকল্প, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের “যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ও অবকাঠামো উন্নয়ন” প্রকল্প, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের “স্কিলস ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্ট” প্রকল্প, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের “সমন্বিত কৃষি র্কমকান্ডের মাধ্যমে কুমিল্লা জেলার লালমাই-ময়নামতি পাহাড়ী এলাকার জনগণের জীবন-জীবিকার মানোন্নয়ন” প্রকল্প , পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের “সমবায়ের মাধ্যমে ক্ষুদ্র নৃ-তাত্ত্বিক জনগোষ্ঠীর জীবনযাত্রার উন্নয়ন” প্রকল্প এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের “পার্বত্য চট্টগ্রামের প্রত্যন্ত এলাকায় মিশ্র ফল চাষ” প্রকল্প।