শীর্ষ মিডিয়া

ব্রেকিং নিউজ

দুপুর ১২:১৮ ঢাকা, বৃহস্পতিবার  ১৩ই ডিসেম্বর ২০১৮ ইং

ফখরুল - ওবায়দুল কাদের

উদারতাকে দুর্বলতা হিসেবে দেখবেন না : কাদের

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সড়ক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গণতান্ত্রিক উদারতাকে দুর্বলতা হিসেবে দেখবেন না।

তিনি আজ বিকেলে জেলার ভাওয়াল বদরে আলম সরকারী বিশ্ববিদ্যায় কলেজ মাঠে গাজীপুর মহানগর ও জেলা আওয়ামী লীগের নতুন সদস্য সংগ্রহ ও পুরান সদস্য নবায়ন উপলক্ষে আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে সরকার বিএনপিকে সমাবেশ করতে দিতে বাধ্য হয়েছে বলে করা মন্তব্যের জবাবে একথা বলেন।

জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এবং মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী এডভোকেট আ ক ম মোজাম্মেল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত জনসভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ডা. দীপুমণি এমপি, মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মেহের আফরোজ চুমকি, সিমিন হোসেন রিমি এমপি, আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, জাহিদ আহসান রাসেল এমপি, গাজীপুর মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি এডভোকেট আজমত উল্লাহ খান ও গাজীপুর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন সবুজ।

জনসভা পরিচালনা করেন মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট জাহাঙ্গীর আলম।

ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপি নেতা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের লজ্জা থাকা উচিত। কারণ তাঁরা সাড়ে আট বছরে সাড়ে আট মিনিটও রাজপথে আন্দোলন করতে পারেননি। পাঁচ শতাধিক সদস্যের কেন্দ্রীয় কমিটি থাকা সত্ত্বেও বিএনপির রাজপথে পাচশ’ লোক নামাতে পারেনি।

বিএনপির নেতারা আন্দোলনের ডাক দিয়ে শীতাতাপ নিয়ন্ত্রিত রুমে বসে হিন্দি সিরিয়াল দেখেন, আর মোবাইলে পুলিশের গতিবিধি লক্ষ্য করেন। তারাই আবার সরকারকে আন্দোলনের ভয় দেখান।

আগামীকালের সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বিএনপির সমাবেশের কথা উল্লেখ করে কাদের বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গণতান্ত্রিক উদারতাকে দুর্বলতা হিসেবে দেখবেন না।’

সেতুমন্ত্রী বলেন, বিএনপির আন্দোলন মানে হলো বিএনপির কয়েকজন প্যাথলজিক্যাল লায়ারের মিথ্যাচারের ভাঙ্গা রেকর্ড বাজানো। বিএনপির মরা গাঙ্গে আর জোয়ার আসবে না। যেমন আর কখনো জোয়ার আসবে না বালু আর তুরাগ নদীতে। তিনি বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় আসা মানে আবার দেশ সন্ত্রাস ও জঙ্গীবাদের অন্ধকারে নিমজ্জিত হওয়া। দেশের মানুষ আর কখনো আলো থেকে অন্ধকারে যাবে না।

এ জনসভা থেকে আওয়ামী লীগের নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করা হলো উল্লেখ করে তিনি বলেন, গাজীপুর সিটি করপোরেশনের আগামী নির্বাচন হবে সেমি ফাইনাল, আর জাতীয় নির্বাচন হবে ফাইনাল খেলা। এ খেলায় মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্ব দেওয়া ও বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে গড়া সংগঠন আওয়ামী লীগ জয়লাভ করবে।

নতুন সদস্য সংগ্রহের বিষয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, সদস্য সংগ্রহ অভিযান কালে সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ, মাদক ব্যবসায়ী ও সাম্প্রদায়িক অপশক্তি যাতে দলে ভিড়তে না পারে সেজন্য নেতা-কর্মীদের সচেতন থাকতে হবে।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বক্তৃতা দেওয়ার সময় নিজে জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু, ‘শেখ হাসিনা’, ‘নৌকা’ বলে শ্লোগান দেন। জনসভায় অংশ নেওয়া লাখো জনতা তার সাথে সাথে শ্লোগান ধরেন। বিশাল মাঠ শেখ হাসিনা ও নৌকা শ্লোগানে প্রকম্পিত হয়ে উঠে।

এর আগে এডভোকেট আ ক ম মোজাম্মেল হক এমপি, এডভোকেট আজমত উল্লাহ খান, মেহের আফরোজ চুমকি এমপি, সিমিনি হোসেন রিমি এমপি, জাহিদ আহসান রাসেল এমপি ও এডভোকেট জাহাঙ্গীর আলম ওবায়দুল কাদেরের কাছ থেকে সদস্য পদ নবায়নের ফরম গ্রহণ করেন।