ব্রেকিং নিউজ

সকাল ৯:২১ ঢাকা, বুধবার  ১৯শে সেপ্টেম্বর ২০১৮ ইং

ফাইল ফটো

ইসলামী ব্যাংক ও বিশ্বকাপ ক্রিকেটে অর্থায়ন নিয়ে ড. বারকাতের বক্তব্য অসত্য

ইসলামী ব্যাংক ও বিশ্বকাপ ক্রিকেটে অর্থায়ন নিয়ে অধ্যাপক ড. আবুল বারকাতের দেয়া বক্তব্য সত্য নয় বলে উল্লেখ করেছেন পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল।
মন্ত্রী বলেন, বিশ্বকাপ ক্রিকেট শেষ হওয়ার চার বছর পর ড. বারকাতের এমন মন্তব্য রহস্যজনক। আগে কেন তিনি এসব বলেননি?
ইসলামী ব্যাংক ও বিশ্বকাপ ক্রিকেটে অর্থায়ন নিয়ে অধ্যাপক ড. আবুল বারকাতের দেয়া বক্তব্যের প্রেক্ষিতে আজ দুপুরে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের এনইসি সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, ‘ড. বারকাত একজন প্রাজ্ঞজন। আমি তার ভক্ত। তার কাছে থেকে এমন বক্তব্য আমি আশা করিনি। আমি ব্যথিত হয়েছি। মন্ত্রী ছাড়াও আমার নিজস্ব ইমেজ আছে। ক্রিকেট বোর্ডের আমি চেয়ারম্যান ছিলাম। সফলতার সাথে বিশ্বকাপ ক্রিকেট আয়োজন করে বিশ্বের কাছে বাংলাদেশকে সম্মানিত করেছি।’
তিনি বলেন, ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ সরকারের অনুমোদনপ্রাপ্ত একটি ব্যাংক। ২০১১ সালে বিশ্বকাপ ক্রিকেট আয়োজনে অর্থায়নের জন্য বিভিন্ন ব্যাংকের কাছে আহবান জানানো হলে কেউ আশানুরূপ সাড়া দেয়নি। প্রিমিয়ার ব্যাংক থেকে মাত্র ৪০ লাখ টাকা পাওয়া গেছে। আর ৩০ কোটি টাকা বাজেটের ১০ কোটি টাকা দিয়েছে ইসলামী ব্যাংক। যার মধ্যে দেড় কোটি টাকা সরকারী ভ্যাট ও ট্যাক্স হিসেবে দেয়া হয়েছে। বাকী টাকা আয়োজনে গেছে।
পরিকল্পনা মন্ত্রী বলেন, ‘আমি তো সে সময় অর্থমন্ত্রণালয় সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান ছিলাম। কমিটির সভায় ড. বারকাত অনেকবার এসেছেন । কই তিনি তখন তো এমন অভিযোগ করেননি। এখন কেন করছেন। তাদের নিকট থেকে টাকা নিয়ে এসে ভালো কাজ করেছি।’
মন্ত্রী বলেন, তাছাড়া অবৈধ লেন-দেনের অভিযোগে একবারও তো ইসলামী ব্যাংকের লাইসেন্স বাতিল বা স্থগিত হয়নি। আর অবৈধ লেন-দেন বা জঙ্গী অর্থায়নের বিষয়টি খতিয়ে দেখার জন্য সে ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রতিনিধি রয়েছে। তারা তা খতিয়ে দেখছে। ড. আবুল বারকাতের কাছে যদি এমন কোন সুনির্দিষ্ট তথ্য থাকে তা কেন্দ্রীয় ব্যাংককে জানানো উচিত। বাংলাদেশ ব্যাংক তা তদন্ত করে ব্যবস্থা নিতে পারে।
তিনি বলেন, সে সময় ড. বারকাতের কাছে কোনো তথ্য থাকলে তিনি সরকারকে বা তাকে (মুস্তফা কামালকে) দেননি কেনো। বিশ্বকাপ ক্রিকেট অনুষ্ঠিত করে দেশ ও দেশের মানুষকে ছোট করা হয়নি। বরং দেশের ভাবমূর্তি অনেক উঁচুতে নেয়া হয়েছে।