ব্রেকিং নিউজ

দুপুর ১:৪৬ ঢাকা, শনিবার  ২২শে সেপ্টেম্বর ২০১৮ ইং

ইনু ছাড়া আর সবাই সংলাপ চায়

Like & Share করে অন্যকে জানার সুযোগ দিতে পারেন। দ্রুত সংবাদ পেতে sheershamedia.com এর Page এ Like দিয়ে অ্যাক্টিভ থাকতে পারেন।

 

কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বলেছেন, সরকার জনবিচ্ছিন্ন। অরাজকতা গুণ্ডামি করে শান্তি স্থাপন করা যায় না। তিনি বলেন, সংলাপ ছাড়া শান্তি আসবে না।যতদিন সংলাপ না হবে ততদিন অবস্থান কর্মসূচি চালিয়ে যাবার ঘোষনা দেন তিনি। তিনি বলেন, বিকলাঙ্গ জাসদের মন্ত্রী ইনু ছাড়া আর সবাই সংলাপ চায়।

বুধবার দুপুরে মতিঝিলে দলীয় কার্যালয়ের সামনে অবস্থান কর্মসূচিতে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।
কাদের সিদ্দিকী বলেন, বর্তমান প্রেক্ষাপটে সহিংসতা বাড়ছে। দেশ শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য আমি এখানে ২২ দিন ধরে অবস্থান কর্মসূচি পালন করছি, প্রধানমন্ত্রীকে আলোচনায় বসতে এবং খালেদা জিয়াকে অবরোধ প্রত্যাহার করতে আহ্বান জানাচ্ছি। এ অবস্থান কর্মসূচি থেকে আমাদের কামনা চাই দেশে শান্তি আসুক। দেশ যেখানে আছে সেখান থেকে দায়িত্বশীল হোক।
তিনি বলেন, বিকলাঙ্গ জাসদের মন্ত্রী ইনু ছাড়া আর সবাই সংলাপ চায়। আলোচনা না করে আপনি কীভাবে ক্ষমতায় থাকতে চান।প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ করে তিনি বলেন, আপনি আলোচনায় বসুন, দেশে শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে আলোচনার কোনো বিকল্প নেই।
কাদের সিদ্দিকী জাতিসংঘের মহাসচিবের উদ্দেশে বলেন, যারা বিদেশীদের জানমালের নিরাপত্তা দিতে পারে আর দেশের মানুষের নিরাপত্তা দিতে পারে না, তাদের বিদেশে শান্তিরক্ষা মিশনে থাকার কোনো অধিকার নেই। জাতিসংঘের মহাসচিবকে বলব, তাদের ফেরত পাঠিয়ে দেওয়া হোক।
তিনি বলেন, দেশে বর্তমানে গণতন্ত্র নেই।নির্বাচনের নামে প্রহসন করে কেউ ক্ষমতায় থাকতে পারেনি।আমরা বিপথমুক্ত পরিচ্ছন্ন গণতন্ত্র চাই। নিয়ন্ত্রিত গণতন্ত্র চাই না। আয়ুব খান নিয়ন্ত্রিত গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছিল। কিন্তু টিকতে পারেনি।
তিনি জানান, দুই নেত্রী যতদিন গো ধরে বসে থাকবে ততদিন তার অবস্থান কর্মসূচি চলবে।
২৮ জানুয়ারি থেকে মতিঝিলে কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে নিরবচ্ছিন্ন অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন কাদের সিদ্দিকী।
সংবাদ সম্মেলনে কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রহমান তালুকদার বীরপ্রতীক, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ইকবাল সিদ্দিকী, সাংগঠনিক সম্পাদক শফিকুল ইসলাম দেলোয়ার, নাসরিন সিদ্দিকীও যুব আন্দোলনের আহ্বায়ক হাবিব উন নবী সোহেল প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।