Sheersha Media

ব্রেকিং নিউজ

রাত ১১:২৪ ঢাকা, রবিবার  ১৮ই নভেম্বর ২০১৮ ইং

ইতালীতে রফতানি ২ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যাবে

Like & Share করে অন্যকে জানার সুযোগ দিতে পারেন। দ্রুত সংবাদ পেতে sheershamedia.com এর Page এ Like দিয়ে অ্যাক্টিভ থাকতে পারেন।

 

বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেছেন, আগামী ২-৩ বছরের মধ্যে ইতালীতে বাংলাদেশী পণ্য রফতানি ২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ছাড়িয়ে যাবে।
তিনি বলেন,‘২০১২-১৩ অর্থবছরে ইতালীতে পণ্য রফতানির পরিমাণ ছিল এক বিলিয়ন ডলার। ২০১৩-১৪ অর্থবছরে তা বেড়ে দাঁড়ায় এক দশমিক ৩ বিলিয়ন ডলারে। এক বছরে সেখানে পণ্য রফতানি বেড়েছে ৩০০ মিলিয়ন ডলার। যেভাবে ইটালীতে রফতানি বাড়ছে, তাতে আগামী ২-৩ বছরে সেখানে রফতানির পরিমাণ ২ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যাবে।’
বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে নিজ দফতরে সফররত ইটালী প্রতিনিধিদলের সাথে বৈঠক শেষে তিনি সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।
ইটালী প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন সেদেশের পররাষ্ট্র উপমন্ত্রী সেন. বেনিডিটো ডেলা ভিডোভা।
মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশী পণ্য আরো জনপ্রিয় করতে আগামী মে মাসে ইটালীর মিলানে অনুষ্ঠিতব্য বাণিজ্য মেলায় বাংলাদেশ অংশগ্রহণ করবে। ইটালাীর সাথে দ্বিপাক্ষিক ব্যবসা-বাণিজ্য বাড়ানোর বিষয়ে প্রতিনিধিদলের সাথে আলোচনা হয়েছে।
তোফায়েল আহমেদ বলেন, নাশকতা, জঙ্গি তৎপরতা ও সন্ত্রাসী কার্যকলাপের মধ্যে দিয়ে বিএনপি যে দেশে অস্থিরতা সৃষ্টি করতে চাইছে, এ বিষয়টি প্রতিনিধিদলকে জানানো হয়েছে। বিএনপির হরতাল-অবরোধ যে গ্রহণযোগ্যতা পায়নি এবং দেশের মানুষ প্রত্যাখান করেছে, ইতালীর এই প্রতিনিধিদল সেটা বুঝতে পেরেছে। তাদেরও হরতালের দিনে যানজটে পড়তে হয়েছে।
তিনি বলেন, সন্ত্রাস, নাশকতা ও জঙ্গি তৎপরতার কার্যকলাপ যে বেশিদিন টিকে না, তা বাংলাদেশে প্রমানিত হবে। মানুষ শান্তি চায়- অগ্রগতি চায়। শিগগিরই দেশের পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে আসবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মূখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জীর সফরের মধ্যে দিয়ে ইলিশ রফতানির কোন সিদ্ধান্ত হবে কিনা জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে তিনি বন্ধুপ্রতিম বাংলাদেশ সফরে আসছেন। তার সফরের সময় এ ধরনের সিদ্ধান্ত হবে না। আর ইলিশ রফতানির ব্যাপারে সরকার এখনও কোন সিদ্ধান্ত নেয়নি।
তিনি বলেন, যে কোন অমীমাংসিত বিষয়ে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের সাথে আলোচনা বা চুক্তি করা হয়। তবে মমতা ব্যানার্জীর সফরের মাধ্যমে তিস্তার পানি বন্টন চুক্তি দ্রুত হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
তিনি বলেন, সীমান্ত ব্যবস্থাপনা চুক্তির বিষয়টি আমাদের সংসদে ইতোমধ্যে অনুমোদন দেয়া হয়েছে। নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বাধীন সরকার তাদের সংসদে এ বিষয়ে দ্রুত অনুমোদন দেবে বলে আশা করছি।