Sheersha Media

ব্রেকিং নিউজ

সকাল ১১:৫৪ ঢাকা, সোমবার  ১৯শে নভেম্বর ২০১৮ ইং

ইউনুস সমর্থকরা গ্রামীণ ব্যাংকের উন্নয়নে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছে : অর্থমন্ত্রী

অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত বলেছেন, ড. মুহাম্মদ ইউনুসের সমর্থকরা গ্রামীণ ব্যাংকের উন্নয়ন বাঁধাগ্রস্ত করছে।
তিনি বলেন,‘দেশে ক্ষুদ্রঋণের প্রাতিষ্ঠানিক রুপ দিয়েছেন ড. ইউনুস। তিনিই প্রথম ব্যক্তি। কিন্তু দূর্ভাগ্যের বিষয় হলো- একসময় নিজেই তিনি ক্ষুদ্রঋণের ইন্সটিটিউশন বনে যান (গ্রামীন ব্যাংকের মালিক)। এটা নিয়েই তার সাথে আমাদের বিরোধ। গ্রামীণ ব্যাংকের উন্নয়ন করার প্রয়োজন। কিন্তু ব্যাংকের শেয়ার হোল্ডারধারী ইউনুসের সমর্থকরা প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছে। তারা বিভিন্ন সময় মামলা করে এ উন্নয়ন ঝুলিয়ে রেখেছে।’
সোমবার সচিবালয়ে অর্থ মন্ত্রনালয়ের সভাকক্ষে ২০১৪-১৫ অর্থবছরে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের কার্যবিবরণীর হিসাব বইয়ের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে তিনি এ সব কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী এম এ মান্নান, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আতিউর রহমান,অর্থ মন্ত্রনালয়ের সিনিয়র সচিব মাহবুব আহমেদ, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব এম আসলাম আলম, পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসির চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. এম খাইরুল হোসেন, বিমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রক সংস্থার (ইডরা) চেয়ারম্যান শেফাক আহমেদসহ বিভিন্ন ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান ও প্রধান নির্বাহীরা উপস্থিত ছিলেন।
বাংলাদেশের পুঁজিবাজার এখন বিনিয়োগ বাজারে পরিনত হচ্ছে উল্লেখ করে অর্থমন্ত্রী বলেন,‘আমাদের পুঁজিবাজার আগে ফটকা বাজার ছিলো। এটিকে মানুষ করতে সময় লেগেছে। গত ৪/৫ বছরে নানা সংস্কার কর্মসূচি বাস্তবায়ন করায় এর যথেষ্ট উন্নতি হয়েছে। এখন এটি বিনিয়োগ বাজারে রুপ নিচ্ছে।’
গতবছর ডিসেম্বরে বিএসইসি আন্তর্জাতিক পর্যায়ে এ ক্যাটাগরির নিয়ন্ত্রক সংস্থার মর্যাদা লাভ করেছে বলে তিনি জানান।
অনুষ্ঠানে দেশের বীমা শিল্প নিয়ে মুহিত বলেন, আমাদের দেশে বীমা শিল্পের তদারক ব্যবস্থা এখনও দূর্বল অবস্থায় রয়ে গেছে। এই অবস্থা উন্নয়নের চেস্টা চলছে। বিমা খাতে এখনও ভয়ানক দূর্ণীতি ও অনিয়ম চলে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
তিনি বলেন, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের কার্যবিবরণীতে পুরো আর্থিক খাতের চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। আগে কেবলমাত্র ব্যাংকিং খাতের তথ্যাদি থাকতো। এবার এর বিশেষত হলো-এই প্রথমবারের মতো পুরো আর্থিক খাতকে তুলে আনা হয়েছে।
অনুষ্ঠানশেষে অর্থমন্ত্রী মানিলন্ডারিং ও সন্ত্রাস অর্থায়ন প্রতিরোধে ২০১৫-১৭ সালের জন্য প্রণীত জাতীয় কৌশলপত্র ‘প্রিভেন্টিং মানি লন্ডারিং এন্ড কমবাটিং ফাইন্যান্সিং অব টেরিরিজম’ শীর্ষক বইয়েরও মোড়ক উন্মোচন করেন।