ব্রেকিং নিউজ

দুপুর ২:১৭ ঢাকা, শুক্রবার  ২১শে সেপ্টেম্বর ২০১৮ ইং

‘আ.লীগের কোন্দলেই ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের অভ্যুত্থান’

মতাদর্শগত কোন্দলের জের ধরেই ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট অভ্যুত্থান সংঘটিত করে আওয়ামী লীগের একটি অংশ ক্ষমতা দখল করেছিল বলে দাবি করেছেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া।
ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর উপলক্ষে দলের মুখপাত্র ড. আসাদুজ্জামান রিপন স্বাক্ষরিত এক বাণীতে তিনি এ দাবি করেন।
খালেদা জিয়া বলেন, স্বাধীনতার পর বাংলাদেশের রাজনীতি ক্রমেই কর্তৃত্ববাদী হয়ে ওঠে। যার এক পর্যায়ে একদলীয় বাকশালী একনায়কতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা রূপ পেয়েছিল। এ অবস্থায় মতাদর্শগত কোন্দলের জের ধরেই ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট একটি অভ্যুত্থান সংগঠিত করে ক্ষমতা দখল করে আওয়ামী লীগের একটি বৃহৎ অংশ।
তিনি বলেন, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের অভ্যুত্থানের ধারাবাহিকতায় ওই বছরের ৩ নভেম্বর সেনাবাহিনীর একটি অংশ আধিপত্যবাদের ভাবনায় প্ররোচিত হয়ে তৎকালীন সেনাপ্রধান মহান স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমানকে সপরিবারে ক্যান্টনমেন্টে বন্দী করে।
বিএনপি চেয়ারপারসন আরও বলেন, দেশবাসী ও সশস্ত্রবাহিনীর দেশপ্রেমিক সদস্যরা উপলব্ধি করতে পারেন- জাতীয় স্বাধীনতা এবং সার্বভৌমত্বকে ভূলুণ্ঠিত করার জন্যই এই চক্রান্ত করা হয়েছে। ষড়যন্ত্রকারীদের চক্রান্ত রুখে দেয়ার জন্য অকুতোভয় সৈনিক-জনতা ইস্পাত কঠিন ঐক্যে শপথবদ্ধ হন ৭ নভেম্বর এক ঐতিহাসিক বিপ্লব সংগঠনের জন্য।
তিনি বলেন, তারা বন্দীদশা থেকে মুক্ত করেন তাদের প্রিয় সেনাপতিকে। এই ঐতিহাসিক পট পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে দেশ নতুন করে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় ফিরে যাওয়ার প্রস্তুতি নেয়। বহুদলীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়।
খালেদা জিয়া বলেন, দেশ যখন অপশাসনে নিপতিত হয় তখন গণতন্ত্র, স্বাধীনতা যুদ্ধের মূল্যবোধ ও অঙ্গীকার হুমকির সম্মুখীণ হয়। বাংলাদেশে এখন একটি বিনাভোটের সরকার ক্ষমতায় প্রতিষ্ঠিত। তারা দমন-নিপীড়ণের মধ্য দিয়ে জনগণের কণ্ঠরোধ করে দেশের স্বার্থকে জলাঞ্জলি দিয়ে শুধুই ক্ষমতায় থাকতে এখন বিভোর হয়ে উঠেছে। এই দুঃশাসনের অবসান হওয়া জরুরি।
তিনি বলেন, জনগণ যদি অবাধে ভোট দেয়ার অধিকারটুকু ফিরে পায় তাহলেই তারা স্বৈরাচারী শাসনের বিপক্ষে তাদের আকাংখার প্রতিফলন ঘটাতে পারবেন। আমি মনে করি, ৭ নভেম্বরের চেতনায় সকল জাতীয়তাবাদী দেশপ্রেমিক শক্তির ঐক্যবদ্ধ হওয়া প্রয়োজন।