ব্রেকিং নিউজ

সন্ধ্যা ৬:০৪ ঢাকা, শুক্রবার  ২১শে সেপ্টেম্বর ২০১৮ ইং

অপহৃত হওয়ার তিন দিন পর শীতলক্ষ্যা নদী থেকে লাশ উদ্ধার করা হয়।

আলোচিত সাত খুন মামলার অধিকতর তদন্ত করা যাবে : হাইকোর্ট

নারায়ণগঞ্জের আলোচিত সাত খুন মামলায় পুলিশ চাইলে অধিকতর তদন্ত করতে পারবে এজন্য উচ্চ আদালতের নির্দেশনার দরকার নেই বলে জানিয়েছেন হাইকোর্ট।
সোমবার সাত খুন মামলার অধিকতর তদন্ত চেয়ে নিহত কাউন্সিলর নজরুল ইসলামের স্ত্রী সেলিনা ইসলাম বিউটির করা এক রিট আবেদনের নিষ্পত্তি করে বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও আমির হোসেনের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ নির্দেশা দেন।
আদালতের নির্দেশনায় বলা হয়, পুলিশের দেয়া চার্জশিটে যে সমস্ত ত্রুটি রয়েছে তা সংশোধন করতে আদালতের নির্দেশনার প্রয়োজন নেই। তদন্ত কর্মকর্তা ইচ্ছে করলে পুনরায় তদন্ত করে অভিযোগপত্র সংশোধন করতে পারবে।
আদালতে আবেদনের পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট মঞ্জু ঘোষ, রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মনিরুজ্জামান কবির।
এজাহারভুক্ত পাঁচ আসামিকে বাদ রেখে পুলিশের দেয়া অভিযোগপত্রের বিরুদ্ধে করা নারাজি আবেদন নিম্ন আদালতে খারিজ হলে গত ২৩ নভেম্বর হাইকোর্টে আবেদন করেন নিহত নজরুল ইসলামের স্ত্রী বিউটি।
এ বিষয়ে গত ১ ডিসেম্বর শুনানিতে মামলার অভিযোগপত্রে ‘ত্রুটি রয়েছে’ বলে আদালত পর্যবেক্ষণ দিলেও অধিকতর তদন্তের ফাঁকে বিচার যাতে বিলম্বিত না হয় সে বিষয়ে গুরুত্ব দেয় হাইকোর্ট।
২০১৪ সালের এপ্রিলে নারায়ণগঞ্জের কাউন্সিলর নজরুল ইসলাম ও তার চার সঙ্গী এবং আইনজীবী চন্দন সরকার ও তার গাড়িচালককে অপহরণের পর হত্যা করা হয়।
তখন নজরুলের স্ত্রী বিউটি নারায়ণগঞ্জের আরেক কাউন্সিলর নূর হোসেনসহ ছয়জনকে আসামি করে মামলা করেন। সেই সঙ্গে র‌্যাবের কর্মকর্তাদেরও হত্যাকান্ডে সম্পৃক্ততার অভিযোগ তোলে নজরুলের পরিবার।
প্রায় এক বছর পর গত ৮ এপ্রিল নূর হোসেন ও র‌্যাব কর্মকর্তাসহ ৩৫ জনকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র দেয় গোয়েন্দা পুলিশ, যাতে বাদ পড়েন এজাহারভুক্ত পাঁচ আসামি। বাদ পড়া এ পাঁচ আসামি হলেন- সিদ্ধিরগঞ্জ থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ইয়াসিন মিয়া, হাসমত আলী হাসু, আমিনুল ইসলাম রাজু, আনোয়ার হোসেন আশিক ও ইকবাল হোসেন।
এজাহারভুক্ত আসামিদের বাদ দেয়ায় অভিযোগপত্র প্রত্যাখ্যান করে নারাজি আবেদন করেন বাদী বিউিটি। নারায়ণগঞ্জের আদালত তা খারিজ করে দেয়ার পর হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন তিনি।