ব্রেকিং নিউজ

সকাল ৮:৪৫ ঢাকা, বুধবার  ১৯শে সেপ্টেম্বর ২০১৮ ইং

মুজিবুল হক
রেলপথ মন্ত্রী মো: মুজিবুল হক এমপি, ফাইল ফটো

‘আ’লীগ ধোঁকাবাজি করে না’

রেলপথ মন্ত্রী মো: মুজিবুল হক এমপি বলেছেন, আওয়ামী লীগ উন্নয়নের নামে জনগণের সাথে ধোঁকাবাজি করে না।

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এলে দেশের মানুষের উন্নতি হয়, দেশের মানুষ খেয়ে-পরে বাঁচতে পারে। অন্যেরা ক্ষমতায় এলে দেশের সম্পদ পাচার ও লুটপাট হয়।

দেশবাসীর উদ্দেশে তিনি আরো বলেন, সকল ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বর্তমান সরকার দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। দেশকে আরো এগিয়ে নিয়ে যেতে তিনি দেশবাসীকে শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করার আহবান জানান।

আজ বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে চলাচলকারী ‘মৈত্রী এক্সপ্রেস’ ট্রেনের চতুর্থ ট্রিপের শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ কথা বলেন।

সকাল ৭টায় ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট রেলওয়ে স্টেশন চত্ত্বরে অনুষ্ঠিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ রেলওয়ে বাংলার মানুষের একটি সাশ্রয়ী ও নিরাপদ যানবাহন। বৃটিশ শাসনামলের পর পাকিস্তান আমল এবং তার পরবর্তী যারাই ক্ষমতায় এসেছেন কেউই রেলের প্রতি নজর দেয়নি। বিএনপি সরকার ক্ষমতায় এসে উন্নয়নতো করেইনি বরং অসংখ্য রেল স্টেশনকে বন্ধ করে দিয়েছে, বিদ্যমান রেললাইন তুলে নিয়ে বিক্রি করে দিয়েছিলো। রেলকে লোকসানী খাত হিসেবে চিহ্নিত করে ধ্বংস করে দিয়েছিলো।

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর বাংলাদেশ রেলওয়ের বন্ধ স্টেশন চালু করেছে, নতুন নতুন লাইন নির্মাণ করেছে, নতুন নতুন কোচ আমদানী করে দেশের মানুষের সেবায় বাংলাদেশ রেলওয়েকে গণপরিবহনে রূপান্তরিত করেছে।

মন্ত্রী আরো বলেন, বাংলাদেশের একটি জেলাও রেল নেটওয়ার্কের বাইরে থাকবে না । আগামী দুই-তিন বছরে রেলওয়ের উন্নয়ন দৃশ্যমান হওয়ার পর একমাত্র পরিবহন হিসেবে রেলকেই বেছে নিবে সকল শ্রেণী, পেশার মানুষ।

রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সচিব ফিরোজ মো: সালাহ উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মাঝে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাপরিচালক আমজাদ হোসেন, বাংলাদেশ নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনের দ্বিতীয় সচিব আদর্শ সারকা, বাংলাদেশ রেলওয়ের পূর্বাঞ্চলীয় মহাপরিচালক আব্দুল হাই প্রমুখ।

পরে মন্ত্রী ফিতা কেটে মৈত্রী ট্রেনের চতুর্থ ট্রিপের উদ্বোধন করেন এবং ট্রেনে উঠে যাত্রীদের হাতে ফুল তুলে দিয়ে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। অনুষ্ঠানে রেলপথ মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ রেলওয়ের উর্দ্বতন কর্মকর্তা কর্মচারীগণ উপস্থিত ছিলেন।