ব্রেকিং নিউজ

রাত ২:৫২ ঢাকা, শুক্রবার  ২১শে সেপ্টেম্বর ২০১৮ ইং

রুহুল কবির রিজভী
রুহুল কবির রিজভী, ফাইল ফটো

‘আ’লীগের আগের মতই একতরফা নির্বাচনের অভিপ্রায়’

বিএনপি সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, আওয়ামী লীগ একটা অবাধ, সুষ্ঠু, গ্রহণযোগ্য নির্বাচন করার ক্ষেত্রে একটি শক্তিশালী নির্বাচন কমিশন গঠনে  প্রতিধ্বনি করছেন না। তাদের আগের মতই একতরফা নির্বাচনের অভিপ্রায়।

রোববার বিকালে নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

রিজভী বলেন, প্রধানমন্ত্রী ও স্বাস্থ্যমন্ত্রী দুজনই বলেছেন, বিএনপির সঙ্গে কোনো আলোচনা নয়, সবকিছুই এখন যেভাবে আছে সেভাবে হবে। তার মানে আগে থেকেই যে আশঙ্কা করেছি, সেটাই লক্ষ্য করা যাচ্ছে। আওয়ামী লীগ ক্ষমতাসীন দল হিসেবে সবার কাছে একটা অবাধ, সুষ্ঠু, গ্রহণযোগ্য নির্বাচন করার ক্ষেত্রে একটি শক্তিশালী নির্বাচন কমিশন গঠনে জনগণের দাবির প্রতিধ্বনি করছেন না। বরং তারা তাদের একতরফা নির্বাচনের যে অভিপ্রায়- ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি মতই নির্বাচন করবে।

রিজভী বলেন, আওয়ামী লীগ যদি রাষ্ট্রপতিকে সুপরামর্শ দিয়ে থাকে, তাহলে নিশ্চয়ই রাষ্ট্রপতি সবার কাছে গ্রহণযোগ্য এবং অবাধ সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য একটি শক্তিশালী নির্বাচন কমিশন গঠন করবেন। যে নির্বাচন কমিশনের অধিকর্তারা হবেন সবার কাছে গ্রহণযোগ্য। বিএনপি একটি বৃহত্তর রাজনৈতিক দল, একাধিকবার রাষ্ট্র পরিচালনা করেছে। বিএনপির কাছে গ্রহণযোগ্য না হলে যদি শুধু আওয়ামী লীগের কাছে গ্রহণযোগ্য হয়, সেটা একতরফা নির্বাচন কমিশন হবে। তার অধীনে নির্বাচন হলে ফলস (মিথ্যা) নির্বাচন হবে, জনগণের সঙ্গে প্রতারণামূলক নির্বাচন হবে। বরং এমন নির্বাচন কমিশনকে জনগণ প্রত্যাখ্যান করবে।

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ যদি রাষ্ট্রপতির কাছে কানে কানে বলে- আপনি তো আমাদের দলের লোক আমরা যেভাবে বলবো, আপনি সেভাবেই করবেন। তাহলে এদেশে কখনও শান্তি ও স্বস্তি আসবে না।

ইসি গঠনে রাষ্ট্রপতির দেওয়া সিদ্ধান্ত আওয়ামী লীগ মেনে নেবেন কিন্তু বিএনপি মেনে নেবে কি না জানতে চাইলে রিজভী বলেন, এই কথার মধ্যে এক ধরণের দ্বি-চারিতা আছে।

‘প্রধানমন্ত্রীর সুস্পষ্ট নির্দেশনা দিয়েছেন-রাস্তায় আর কোনো প্রোগ্রাম করা যাবে না’ মর্মে দেয়া আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের বক্তব্য প্রসঙ্গে রিজভী বলেন, মূলত বিএনপি’র সভা-সমাবেশ বানচাল করার জন্যই এই আদেশ দেয়া হয়েছে। বিএনপি মনে করে, মানুষের প্রতিবাদের ভাষা কেড়ে নেয়ার জন্যই এই আদেশ। গণতন্ত্র ক্রমাগত সংকোচনের ধারায় এটি আরেক ধাপ অগ্রগতি। বর্তমান বাংলাদেশে নাৎসীবাদ সমতুল্য শাসনকালের নামই হচ্ছে হাসিনা-মার্কা গণতন্ত্র।