ব্রেকিং নিউজ

রাত ১২:২৩ ঢাকা, রবিবার  ২৩শে সেপ্টেম্বর ২০১৮ ইং

ওবায়দুল কাদের
আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, ফাইল ফটো

আ’লীগকে বিজয়ী করলেই উন্নয়ন কর্মকান্ড অর্থবহ হবে : সেতুমন্ত্রী

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এমপি বলেছেন, দেশের মানুষ ভোট দিয়ে আওয়ামী লীগকে বিজয়ী করলেই উন্নয়ন কর্মকান্ড অর্থবহ হবে।

তিনি আজ দুপুরে রাজধানীর ধানমন্ডিস্থ একটি কমিউনিটি সেন্টারে জেলা আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদকদের সাথে কেন্দ্রীয় দপ্তর বিভাগের মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের উন্নয়ন কর্মকান্ড পরিচালনা করছেন। আর আপনারা মানুষের সাথে ভালো আচরণ ও ভাল কাজ করুন।’ ‘তাহলে দেশের মানুষ আবার ভোট দিয়ে আওয়ামী লীগকে নির্বাচিত করবে। আর সরকারের উন্নয়নমূলক কর্মকান্ড অর্থবহ হবে।’

আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক ড. আবদুস সোবহান গোলাপের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় দেশের বিভিন্ন জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক ও উপ দপ্তর সম্পাদকরা উপস্থিত ছিলেন।
সভা পরিচালনা করেন আওয়ামী লীগের উপ-দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া।

আগামী নির্বাচন আওয়ামী লীগের জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে উল্লেখ করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেন, দেশের জনগণ আওয়ামী লীগকে চায়। আপনাদের আচারণে জনগণ যদি অসন্তুষ্ট হয় তাহলে ভোটের রাজনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে।

তিনি বলেন, সরকারের উন্নয়নের ভোটকে খারাপ আচরণ দিয়ে নষ্ট করা হলে দলের জন্য তা হবে সত্যিকারের জন্য দুর্ভাগ্যজনক।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা ও জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দৌহিত্র সজীব ওয়াজেদ জয়কে দেশের আইসিটি বিপ্লবের রূপকার হিসেবে উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, বিশ্বের কাছে গ্রহণযোগ্য ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন(ইভিএম) আমাদের দেশেও চালু করতে হবে। নির্বাচন কমিশন (ইসি) কে এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

বিএনপিকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, তারা ভিশন দেবে কিন্তু লেটেস্ট টেকনোলজি মানবে না তা হতে পারে না। আর কি কারণে ইভিএম গ্রহনযোগ্য নয়, তা বিএনপিকে স্পষ্ট করতে হবে।

বিএনপি নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার গুলশান কার্যালয়ে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অভিযানের বিষয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, গোয়েন্দা সংস্থার নির্দিষ্ঠ তথ্যের ভিত্তিতে বিএনপির গুলশান কার্যালয়ে অভিযান চালিয়েছে।

বিএনপি এ অভিযানের সাথে গণতন্ত্রের সম্পর্ক খোঁজার চেষ্টা করছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, বিএনপি সরকারের সময়ে আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে পুলিশের নির্যাতন এবং সিআরইয়ের কার্যালয়ে সিলগালার বিষয় দেশের মানুষ ভুলে যায়নি।

দেশে রক্তাক্ত গণতন্ত্রের দৃষ্টান্ত কারা স্থাপন করেছে তা তিনি বিএনপির নেতাদের কাছে জানতে চান।
ওবায়দুল কাদের কোন কোন জেলা, উপজেলা ও মহানগরে দলীয় কার্যালয় নেই তা জেলা আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদকদের কাছে জানতে চান। যে সব জেলা, উপজেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগের নিজস্ব কার্যালয় নেই তা কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে লিখিতভাবে জানানোর জন্য তাদের প্রতি অনুরোধ জানান।

সভায় আওয়ামী লীগের সভাপতি মন্ডলীর সদস্য ড. আব্দুর রাজ্জাক, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ড. দীপুমণি, এডভোকেট জাহাঙ্গীর কবির নানক, সাংগঠনিক সম্পাদক আহমেদ হোসেন, আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক অসীম কুমার উকিল, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক এডভোকেট আফজাল হোসেন ও কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য মারুফা আক্তার পপি প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

মতবিনিময় সভা শেষে আওয়ামী গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর রিসার্চ ইনফরমেশন জেলা দপ্তর সম্পাদকদের এক প্রশিক্ষণ কর্মশালার আয়োজন করে।