ব্রেকিং নিউজ

রাত ১২:১৩ ঢাকা, মঙ্গলবার  ২৫শে সেপ্টেম্বর ২০১৮ ইং

আমি প্রতিবারই যখন বইমেলায় আসি অনুবাদের ওপর খুব গুরত্ব আরোপ করে থাকি: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভাষাকে সমৃদ্ধ করার জন্য অনুবাদ সাহিত্যের প্রতি গুরুত্বারোপ করে বলেছেন, আমাদের সাহিত্যের ধ্রুপদী ও স্বনির্বাচিত সাহিত্য সম্ভার বিশ্ব পাঠকের কাছে পৌঁছে দিতে আরো ব্যাপক ভিত্তিক ও মানসম্মত অনুবাদ অতীব জরুরি।
তিনি বলেন, ‘আমি প্রতিবারই যখন বইমেলায় আসি অনুবাদের ওপর খুব গুরত্ব আরোপ করে থাকি।..আমাদের গ্রন্থ,সাহিত্য যেমন অন্যভাষায় অনুবাদ হবে তেমনি অন্যভাষার সাহিত্যও বাংলা ভাষায় অনুবাদ হলে আমরা সেদেশের ভাষা-সাহিত্য সম্পর্কে জানতে পারব।
প্রধানমন্ত্রী এবারের ফ্রাংকফুটের বই মেলার প্রসঙ্গ তুলে বলেন, এবার ফ্রাংকফুটের বইমেলার সঙ্গে আমাদের যোগাযোগ ঘটেছে।
ভবিষ্যতে এধরনের আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে বাংলাভাষাকে তুলে ধরার সুযোগ কাজে লাগানোর প্রতিও তিনি গুরুত্বারোপ করে শীঘ্রই মীর মোশারফ হোসেনের ’বিষাদ সিন্ধু’ কাব্যগ্রন্থের ইংরেজী অনুবাদ প্রকাশিত হবে বলেও জানান।
শেখ হাসিনা আজ বিকেলে বাংলা একাডেমীতে অমর একুশে ফেব্রুয়ারির মাসব্যাপী গ্রন্থমেলার উদ্বোধনকালে প্রধান অতিথির ভাষণে একথা বলেন।
এমিরেটাস অধ্যাপক আনিসুজ্জামানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর। স্বাগত বক্তৃতা করেন বাংলা একাডেমীর মহাপরিচালক শামসুজ্জামান খান।
শুভেচ্ছা বক্তৃতা করেন- সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের সচিব বেগম আকতারী মমতাজ,চেক প্রজাতন্ত্রের লেখক-গবেষক রিবেক মার্টিন, ব্রিটিশ কবি এবং জীবনানন্দ অনুবাদক জো উইনটার,অন্য প্রকাশের স্বত্তাধিকারী মাজহারুল ইসলাম, আন্তর্জাতিক প্রকাশনা সংস্থার সভাপতি (আইপিএ) রিচার্ড ডেনিশ পল সারকিন।
প্রধানমন্ত্রী অনুষ্ঠানে ২০১৫ সালের বাংলা একাডেমী সাহিত্য পুরস্কার বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন। মোট ১০টি বিষয়ে ১১ জনকে পুরস্কার প্রদান করা হয়।
পুরস্কার বিজয়ীরা হচ্ছেন- কবিতায় আলতাফ হোসেন, কথা সাহিত্যে শাহীন আক্তার, স্মৃতিকথায় ফারুক চৌধুরী, প্রবন্ধে আবুল মোমেন ও আতিউর রহমান, গবেষণায় মনিরুজ্জামান, অনুবাদে আব্দুস সেলিম, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সাহিত্যে তাজুল মাহমুদ, নাটকে মাসুম রেজা, বিজ্ঞান প্রযুক্তি ও পরিবেশে শরিফ খান এবং শিশু সাহিত্যে সুজন বড়–য়া।
মহান একুশে ফেব্রুয়ারির শহীদদের স্মরণে অনুষ্ঠানের শুরুতে দাঁড়িয়ে এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয়।
জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী, ডেপুটি স্পিকার ফজলে রাব্বি মিয়া,বিরোধী দলীয় নেতা বেগম রওশন এরশাদ, অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত, শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ, আওয়ামী লীগের সভাপতি মন্ডলীর সদস্য নূহ-উল-আলম লেনিন, খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলাম,বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী রাশেদ খান মেনন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিকসহ মন্ত্রী পরিষদ সদস্য, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা, বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও দফতরের উর্ধ্বতন কর্মকর্তা, শিক্ষক, গবেষক, কবি, সহিত্যিক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।