ব্রেকিং নিউজ

সকাল ৮:২০ ঢাকা, রবিবার  ২৩শে সেপ্টেম্বর ২০১৮ ইং

খাদিজাকে হত্যা চেষ্টা
গত ৩ অক্টোবর সিলেট সরকারি মহিলা কলেজের শিক্ষার্থী খাদিজাকে কুপিয়ে গুরুতর আহত করে।

‘আমার ফাঁসি হোক, – খাদিজাকে হত্যা চেষ্টার আসামি বদরুল

সিলেট সরকারি মহিলা কলেজের শিক্ষার্থী খাদিজা বেগম নার্গিস হত্যা চেষ্টা মামলায় একমাত্র আসামি ছাত্রলীগ নেতা বদরুল আলম নিজের ফাঁসি দাবি করেছেন।

রোববার আদালতে সাক্ষ্যগ্রহণের পূর্বে পুলিশ হেফাজতে থাকা বদরুল সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার জন্য উচ্চস্বরে চিৎকার করেন।

একপর্যায়ে উপস্থিত সাংবাদিকদের উদ্দেশে বদরুল বলতে থাকেন, ‘আমার ফাঁসি হোক। খাদিজার জয় হোক।’ এ সময় বদরুলকে অনেকটা উদভ্রান্তের মতো দেখা গেছে।

রোববার দ্বিতীয় দিনে এই মামলায় ১৫ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন আদালত। এর মধ্যে খাদিজার মা-বাবা, মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এবং হামলাকারী ছাত্রলীগ নেতা বদরুল আলমের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিগ্রহণকারী ম্যাজিস্ট্রেটও রয়েছেন।

রোববার সকাল ১১টা থেকে সিলেটের মুখ্য মহানগর হাকিম সাইফুজ্জামান হিরোর আদালতে সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়।

আদালতের এপিপি মাহফুজুর রহমান জানান, খাদিজা হত্যাচেষ্টা মামলায় রোববার ১৫ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়। মামলার ৩৬জন সাক্ষীর মধ্যে গত ৫ ডিসেম্বর ওই মামলার বাদিসহ ১৭জন আদালতে সাক্ষ্য দেন। এর আগে গত ৮ নভেম্বর খাদিজা হত্যাচেষ্টা মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সিলেট নগরীর শাহপরান থানার এসআই হারুনুর রশীদ আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। ১৫ নভেম্বর আদালত চার্জশিট গ্রহণ করেন। গত ২৯ নভেম্বর আদালত বদরুলের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর নির্দেশ দেন।

উল্লেখ্য, গত ৩ অক্টোবর সিলেট সরকারি মহিলা কলেজের শিক্ষার্থী খাদিজা বেগম নার্গিসকে চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর আহত করে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অনিয়মিত ছাত্র ও শাবি ছাত্রলীগের সহ-সম্পাদক বদরুল আলম। ঘটনার পরপরই শিক্ষার্থীরা বদরুলকে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দেন। এ ঘটনায় খাদিজার চাচা আবদুল কুদ্দুস বাদী হয়ে বদরুলকে একমাত্র আসামি করে মামলা দায়ের করেন।