ব্রেকিং নিউজ

বিকাল ৪:৪৭ ঢাকা, মঙ্গলবার  ২৫শে সেপ্টেম্বর ২০১৮ ইং

বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ
বাংলাদেশ ব্যাংক

আমাদের নেটওয়ার্ক হ্যাক করে চুরি হয়নি: সুইফট কর্তৃপক্ষ

ফের সুইফট দাবি করেছে সুইফটের নেটওয়ার্ক হ্যাক করে বাংলাদেশের রিজার্ভের অর্থ চুরি হয়নি। আমরা শতভাগ নিশ্চিত যে, আমাদের সিস্টেমে কোনো সমস্যা হয়নি। আমাদের নেটওয়ার্কে কোনো হ্যাকের ঘটনা ঘটেনি। এ লেনদেনের জন্য ব্যাংকগুলোই দায়ী।

ফিলিপাইনের মাকাতি সিটিতে গতকাল এক সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি করেন সুইফটের এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা অ্যালেইন রেস। তিনি সংস্থাটির ইউরোপ, মধ্যপ্রাচ্য ও আফ্রিকা অঞ্চলেরও প্রধান। খবর ফিলিপাইনের জিএমএ নিউজ ও র‌্যাপলার ডটকমের।

অ্যালেইন রেস বলেন, যেকোনো ধরনের লেনদেনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা শেষাবধি সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের দায়িত্বের মধ্যে পড়ে। সুইফট ও ব্যাংকগুলোর দায়িত্বের পার্থক্য সম্পর্কে আমাদের সচেতন হওয়া উচিত। ব্যাংকের আওতাধীন অংশের নিরাপত্তা নিশ্চিতের দায়িত্ব শুধু সংশ্লিষ্ট ব্যাংকেরই। সুইফট শুধু সব গ্রাহকের লেনদেন সম্পর্কে অবহিত করার কাজটি করে থাকে। পাশাপাশি সুইফট অংশের নিরাপত্তা বিধানের দায়িত্বও প্রতিষ্ঠানটির ওপর।

নিরাপত্তা সম্পর্কিত বাস্তবিক অবস্থা সবাইকে অবহিত করাটা আমাদের দায়িত্বের মধ্যে পড়ে। বাংলাদেশের স্থানীয় কর্তৃপক্ষ অর্থ চুরির ঘটনায় বেশকিছু তদন্ত কার্যক্রম হাতে নিয়েছে। এ তদন্তের ভার সত্যিই তাদের। আমরাও চাই, তাদের নেতৃত্বেই যেন তদন্তগুলো সম্পন্ন হোক বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

এদিন মাকাতি সিটিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সুইফট কর্মকর্তা অ্যালেইন রেস বলেন, আমরা শতভাগ নিশ্চিত যে, আমাদের সিস্টেমে কোনো সমস্যা হয়নি। অর্থ চুরির ক্ষেত্রে সুইফট সিস্টেমের সুরক্ষা ভাঙা হয়নি। আমাদের নেটওয়ার্কে কোনো হ্যাকের ঘটনা ঘটেনি। যেকোনো ধরনের লেনদেনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা শেষাবধি সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের দায়িত্বের মধ্যে পড়ে।

বিশ্বব্যাপী ৩ হাজারের অধিক বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠান অর্থ স্থানান্তরে সুইফট সিস্টেম ব্যবহার করে। সুইফটের মেসেজিং সিস্টেম ব্যবহার করে বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠান অর্থ স্থানান্তরের নির্দেশনা পাঠায়। বাংলাদেশ ব্যাংকের অর্থ চুরির ক্ষেত্রে সুইফট নেটওয়ার্ক হ্যাকের কোনো ঘটনা ঘটেনি বলে গতকাল ফের দাবি করেছে প্রতিষ্ঠানটি।

উল্লেখ্য, যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক অব নিউইয়র্কে বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাব থেকে গত ফেব্রুয়ারিতে খোয়া যায় রিজার্ভের ১০ কোটি ১০ লাখ ডলার। এর মধ্যে ৮ কোটি ১০ লাখ ডলার যায় ফিলিপাইনে। আর বাকিটা যায় শ্রীলঙ্কায় যা উদ্বার হওয়ার দাবি করছে বাংলাদেশ ব্যাংক।