ব্রেকিং নিউজ

দুপুর ১:৪১ ঢাকা, সোমবার  ২৪শে সেপ্টেম্বর ২০১৮ ইং

ফাইল ফটো

আমাকে যে সংবর্ধনা দেওয়া হচ্ছে কেবল আমার নয়, এটা বাংলার মানুষের প্রাপ্য

‘যে সংবর্ধনা দেওয়া হচ্ছে এর প্রাপ্য আমার নয়, এটা বাংলার মানুষের প্রাপ্য’—বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আজ শুক্রবার রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে নাগরিক কমিটির দেওয়া সংবর্ধনায় তিনি এ মন্তব্য করেন।
ভারতের সঙ্গে স্থলসীমান্ত চুক্তি বাস্তবায়নসহ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ‘জাতীয় জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে সফলতা অর্জনের’ জন্য তাঁকে এ নাগরিক সংবর্ধনা দেওয়া হয়। নাগরিক কমিটির আয়োজনে ওই সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সব্যসাচী লেখক সৈয়দ শামসুল হক।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘দেশের মানুষের জন্য কাজ করায় আমাকে যে সংবর্ধনা দেওয়া হচ্ছে এর প্রাপ্য কেবল আমার নয়, এটা বাংলার মানুষের প্রাপ্য।’
শেখ হাসিনা বলেন, পঁচাত্তরের ২১ বছর পর ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করে। এরপর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর বহমানের স্বপ্ন বাস্তবায়নে কাজ শুরু করি। ২০০৯ সালে আবার সরকার গঠন করে দেশের উন্নয়নে কাজ শুরু করি। আমি বাংলার মানুষের প্রতি কৃতজ্ঞ। তারা আমাকে সেবা করার সুযোগ দিয়েছে। তাই এ সংবর্ধনা আমার প্রাপ্য নয়, এ সংবর্ধনা বাংলার মানুষের প্রাপ্য।
এর আগে বিকেল তিনটার দিকে জাতীয় সংগীতের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দেওয়া নাগরিক সংবর্ধনা অনুষ্ঠান শুরু হয়। প্রধানমন্ত্রী সংবর্ধনা মঞ্চে আসার পর জাতীয় সংগীতের মধ্যে দিয়ে অনুষ্ঠান শুরু হয়। অনুষ্ঠানের সভাপতি সৈয়দ শামসুল হক স্বাগত বক্তব্যে বলেন, সরকারি ও বিরোধীদলের পাশাপাশি এখন নাগরিক পক্ষ নামের একটি পক্ষ আছে। সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশে অভিজ্ঞানপত্র পাঠ করেন অধ্যাপক আনিসুজ্জামান। অভিজ্ঞানপত্রে বলা হয়, শেখ হাসিনা ক্ষমতা গ্রহণের পর থেকে দেশ সব ক্ষেত্রে এগিয়ে যাচ্ছে। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশে নবদিগন্তের সূচনা হয়েছে।

ঢাকার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার নাগরিক সংবর্ধনায় যোগ দিতে বিভিন্ন এলাকা থেকে বিপুলসংখ্যক নেতা-কর্মীরা জড়ো হন। দুপুরের ২টার পর থেকেই ঢাকার বিভিন্ন থানা, ওয়ার্ড থেকে দলীয় নেতা-কর্মীরা সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জড়ো হতে শুরু করেন। ‍বিকেলের বৃষ্টি উপেক্ষা করে আওয়ামী লীগ ও সমমনা দলের নেতা-কর্মীরা সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগ দেন।
সংবর্ধনা আয়োজনের জন্য বুদ্ধিজীবী, কবি, সাহিত্যিক, শিক্ষক, সাংবাদিক, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার বিশিষ্ট নাগরিকদের নিয়ে ২০২ সদস্যের জাতীয় নাগরিক কমিটি গঠন করা হয়। নাগরিক কমিটির এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠান সফল করতে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকেও ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়। মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের সব রাজনৈতিক দল, সংগঠন ও ব্যক্তিকে এ অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার জন্য নাগরিক কমিটির পক্ষ থেকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।