ব্রেকিং নিউজ

রাত ১:৫৮ ঢাকা, বুধবার  ১৯শে সেপ্টেম্বর ২০১৮ ইং

ওবায়দুল কাদের
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এমপি, ফাইল ফটো

আমরা সমাবেশের অনুমতি দেয়ার কেউ না : সেতুমন্ত্রী

আওয়ামীলীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বিএনপির সমাবেশ ঘিরে ডিএমপি হয়তো কোন ধরনের সহিংসতার আশঙ্কা করেছিল, তাই তাদের সমাবেশের অনুমতি দেয়নি।

‘সমাবেশ নিয়ে সরকার দ্বৈতনীতি করছে’ বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের এমন বক্তব্যের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, সমাবেশের অনুমতি দেয়া না দেয়া ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) বিষয়। এখানে তো আওয়ামী লীগের কিছু করার নেই। ডিএমপি নৈরাজ্যের আভাস ইঙ্গিত পেয়েছেন কিনা? আমারতো মনে হয় সে রকম কোন বিষয় থেকে তারা অনুমতি দেন নি।

তিনি বলেন, অতীতে দেখা গেছে বিএনপি শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের নামে সহিংসতা করেছিল এখানেও সেরকম কিছু ছিল কিনা সেটা ডিএমপি জানেন, আমি এ বিষয়ে কিছু জানি না। আমরা সমাবেশের অনুমতি দেয়ার কেউ না।

আজ সোমবার বিকালে ঔতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আগামীকাল ১০ জানুয়ারি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে আয়োজিত জনসভার মঞ্চ পরিদর্শনে এসে তিনি এ কথা বলেন।

আগামীকালের জনসভা প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, জাতীয় সম্মেলনের পরেই এটাই আমাদের প্রথম জনসভা, আর তাই আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা এখানে নীতি নির্ধারণিপূর্ণ বক্তব্য রাখবেন।একদিকে আমাদের উন্নয়নের মহাসড়কে অভিযাত্রা, আরেকদিকে এগিয়ে যাওয়ার পথে কিছু বাধা আছে, যেটা আসতে পারে সাম্প্রদায়িক উগ্রবাদ থেকে। এ শক্তিকে প্রতিহত ও পরাজিত করার আহ্বানও তিনি আগামীকালের বক্তব্যে করতে পারেন বলে আমি আশা করি।

তিনি বলেন, আগামীকালের জনসভা নিয়ে আমাদের সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। এখানে ঢাকা ও তার আশপাশ থেকে কয়েক লাখ মুজিব প্রেমি মানুেষর স্বতঃস্ফূর্ত সমাগম হবে।

এসময় আওয়ামী লীগের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য মোহাম্মদ নাসিম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ ও জাহাঙ্গীর কবির নানক, সাংগঠনিক সম্পাদক বিএম মোজাম্মেল হক, আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, এনামুল হক শামীম ও মুহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক অসীম কুমার উকিল, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক এডভোকেট আফজাল হোসেন, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক আবদুস সবুর, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য মির্জা আজম, আনোয়ার হোসেন, মারুফা আক্তার পপি, ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাদেক খান, দক্ষিণের সাধারণ সম্পাদক শাহে আলম মুরাদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।