Sheersha Media

ব্রেকিং নিউজ

সকাল ৯:১২ ঢাকা, মঙ্গলবার  ১৩ই নভেম্বর ২০১৮ ইং

মোদী
যুবরাজ নাহিয়ানকে দিল্লিতে স্বাগত জানাচ্ছেন মোদী

আবুধাবির যুবরাজকে নিয়ে মোদীর মাতামাতির নেপথ্যের কারণ

ভারতের বৃহস্পতিবারের প্রজাতন্ত্র দিবসে প্রধান অতিথি ছিলেন আবুধাবির যুবরাজ মোহাম্মদ বিন যায়েদ আল নাহিয়ান।

শুধু তাই নয়, এতটাই প্রাধান্য ভারত আমিরাতের এই যুবরাজকে দিচ্ছেন যে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী সাধারণ প্রটোকল ভেঙ্গে মুম্বাইতে গিয়ে নিজে বিমানবন্দরে তাকে স্বাগত জানান।

সামরিক কুচকাওয়াজে এই প্রথমবারের মত অংশ নেয় সংযুক্ত আরব আমিরাতের একটি সেনা দল।

কিন্তু উপসাগরের ছোট একটি রাজতন্ত্রের একজন যুবরাজকে এতটা সম্মান কেন দেখাচেছ বিশ্বের সবচেয়ে জনবহুল গণতান্ত্রিক দেশ?

ভারতের সাবেক কূটনীতিক পিনাক রঞ্জন চক্রবর্তী বলেন, অর্থনৈতিক এবং নিরাপত্তার বিচারের ইউএই ক্রমেই ভারতের কাছে বেশ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে।

প্রথম ২৬ লাখের মত ভারতীয় ইউএইতে কাজ করে। ভারতের রেমিটেন্সের একটা উল্লেখযোগ্য অংশ আসে এই দেশে থেকে। জ্বালানী তেলের উল্লেখযোগ্য একটি অংশ আসে আবুধাবি থেকে।

তাছাড়া, দু-দেশের বাণিজ্য বাড়ছে তরতর করে। ২০১৫-১৬ সালে এই বাণিজ্য প্রায় ৬০০০ কোটি ডলারে পৌঁছে।

নিরাপত্তার ইস্যুতে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো বহুদিন ধরেই ভারতের বৈরী প্রতিবেশী পাকিস্তানের ঘনিষ্ঠ।

কিন্তু পিনাক রঞ্জন চক্রবর্তী বলছেন নিরাপত্তা নিয়েও ভারতের সাথে ইউএই’র ঘনিষ্ঠতা বাড়ছে।

“এটা সবার জানা যে এমন কিছু কিছু লোক সেদেশে থাকে যারা ভারতের নিরাপত্তার জন্য হুমকি। ভারত মনে করছে ইউএই’র সাথে সম্পর্ক ভালো হলে সুবিধা হবে।”

একইসাথে মি চক্রবর্তী মনে করছেন, নিরাপত্তা ইস্যুতে পাকিস্তানের সাথে ইউএই’র দূরত্ব তৈরি হচ্ছে।

মি চক্রবর্তী বলেন, সম্প্রতি আফগানিস্তানের কান্দাহারে তালিবানের হামলায় তাদের পাঁচজন কূটনীতিকের মৃত্যুতে আরব আমিরাতের সরকারের মধ্যে হয়তো পাকিস্তানকে নিয়ে সন্দেহ তৈরি হয়েছে।

“আসলে পুরো মধ্যপ্রাচ্যের মধ্যে ইউএই অনেকটা কসমোপলিটান, একটি অগ্রসর সমাজ গঠনের চেষ্টা করছে তারা.. তারা হয়তো দেখছে ভারত অর্থনৈতিক দিক দিয়ে দিন দিন উন্নতি করছে, স্থিতিশীল একটি গণতান্ত্রিক দেশ..।”

গত এক বছরেরও কম সময়ে যুবরাজ আল নাহিয়ানের এটি দ্বিতীয় ভারত সফর। বিবিসি

 

http://www.bbc.com/bengali

FOLLOW US: