Press "Enter" to skip to content

আবরার হত্যা: ৪ আসামির সম্পত্তি ক্রোকের নির্দেশ

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদ রাব্বী হত্যা মামলার পলাতক চার শিক্ষার্থীর (আসামি) সম্পত্তি ক্রোকের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

আজ মঙ্গলবার ঢাকার অতিরিক্ত মহানগর হাকিম কায়সারুল ইসলাম এ নির্দেশ দেন। এ সংক্রান্ত তামিল প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ৫ জানুয়ারি দিন ধার্য করেছেন আদালত।

তারা হলেন- মোর্শেদুজ্জামান জিসান, এহতেশামুল রাব্বি তানিম, মোর্শেদ অমত্য ইসলাম ও মোস্তবা রাফিদ । এদের মধ্যে প্রথম তিনজন এজহারভুক্ত ও শেষের জন এজাহার বহির্ভূত।

আজ চার আসামির গ্রেফতার সংক্রান্ত তামিল প্রতিবেদন দাখিলের দিন ধার্য ছিল। তাদের গ্রেফতার করতে পারেনি বলে পুলিশের প্রতিবেদনের পর মামলার পরবর্তী কার্যক্রম হিসাবে আসামিদের বিরুদ্ধে সম্পত্তি ক্রোকের পরোয়ানা জারি করা হয়।

চকবাজার থানার আদালতের সাধারণ নিবন্ধন কর্মকর্তা পুলিশের উপ-পরিদর্শক মাঝহারুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এরআগে ১৮ নভেম্বর চার জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন ঢাকার অতিরিক্ত মহানগর হাকিম কায়সারুল ইসলাম।

১৩ নভেম্বর ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে ২৫ জনকে অভিযুক্ত করে চার্জশিট দাখিল করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের পরিদর্শক ওয়াহিদুজ্জামান।

অভিযুক্ত ২৫ জনের মধ্যে এজাহারভূক্ত ১৯ জন এবং এজাহার বহির্ভূত ৬ জন।

এজাহারভূক্ত ১৯ জনের মধ্যে ১৬ জন ও এজাহার বহির্ভূত ৬ জনের মধ্যে ৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে ৮ জন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন- মেহেদী হাসান রাসেল, মোঃ অনিক সরকার, ইফতি মোশাররফ সকাল, মোঃ মেহেদী হাসান রবিন, মোঃ মেফতাহুল ইসলাম জিওন, মুনতাসির আলম জেমি, খন্দকার তাবাখখারুল ইসলাম তানভির, মোঃ মুজাহিদুর রহমান, মুহতাসিম ফুয়াদ, মোঃ মনিরুজ্জামান মনির, মোঃ আকাশ হোসেন, হোসেন মোহাম্মদ তোহা, মাজেদুর রহমান, শামীম বিল্ল¬াহ, মোয়াজ আবু হুরায়রা, এ এস এম নাজমুস সাদাত, ইসতিয়াক আহম্মেদ মুন্না, অমিত সাহা, মোঃ মিজানুর রহমান ওরফে মিজান, শামসুল আরেফিন রাফাত ও এস এম মাহমুদ সেতু।

পলাতক চারজন হলেন- মোর্শেদুজ্জামান জিসান, এহতেশামুল রাব্বি তানিম, মোর্শেদ অমত্য ইসলাম ও মোস্তবা রাফিদ ।

ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেয়ার জেরে বুয়েট শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদকে গত ৬ অক্টোবর রাতে ডেকে নিয়ে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। পরে তার লাশ শেরে বাংলা হলের নিচতলা ও দোতলার সিঁড়ির করিডোরে ফেলে রাখা হয়। সেখান থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

পরদিন ৭ অক্টোবর দুপুরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতাল মর্গে আবরারের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়। নিহত আবরার বুয়েটের ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী। তিনি শেরেবাংলা হলের ১০১১ নম্বর কক্ষে থাকতেন।

ওই ঘটনায় নিহত আবরারের বাবা বরকত উল্লাহ্‌ বাদী হয়ে রাজধানীর চকবাজার থানায় একটি হত্যা মামলা করেন।

শেয়ার অপশন: