ব্রেকিং নিউজ

রাত ১:১২ ঢাকা, মঙ্গলবার  ১৯শে জুন ২০১৮ ইং

অর্থনীতি

আগামী বছর দেশের অর্থনীতি আরো ভাল হবে

বিদায়ী বছর-২০১৭ সালে অর্থনীতির অধিকাংশ সূচকে সামান্য অগ্রগতি হওয়ায় আগামী বছর ২০১৮ সালে দেশের অর্থনীতি আরো ভাল হবে বলে সরকার ধারণা করছে। অর্থনীতি বিশ্লেষকরা দেশের অর্থনীতির উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ সম্পর্কে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।

অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী এম এ মান্নান এবং বিশিষ্ট অর্থনৈতিক বিশ্লেষক ও বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা ইনিস্টিটিউটের (বিআইডিসি) সাবেক মহাপরিচালক ড. মুস্তফা কে মুজেরি আগামী বছরে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য অজর্নে তাদের উচ্চাশা প্রকাশ করেছেন।

এম এ মান্নান বলেন, বিদায়ী বছর ২০১৭ সালে বাংলাদেশের অর্থনীতি খুবই ভাল ছিল। বিদায়ী বছরে অর্থনীতিতে অনেক অর্জন রয়েছে। তিনি বলেন, বাংলাদেশ গত জুনে সমাপ্ত বিদায়ী অর্থ বছরে ৭.২৮ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অজর্ন করতে সক্ষম হয়েছে। দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ছিল চমৎকার।

২০১৮ সালের জুনে সমাপ্ত অর্থ বছরে প্রত্যাশিত প্রবৃদ্ধি সম্পর্কে এক মন্তব্যে বলেন, চলতি অর্থ বছরে ৭.৪ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অজর্নের লক্ষ্যমাত্রা অজর্নের ব্যাপারে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, আমরা লক্ষ্য অজর্নের ব্যাপারে অথবা লক্ষ্যের খুবই কাছাকাছি পৌঁছুতে আশাবাদি।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিদায়ী বছরে অতিবৃষ্টি এবং আগাম বন্যার কারনে সৃষ্ট প্রাকৃতিক বৈরি আবহাওয়া সত্ত্বেও মূদ্রাস্ফীতি ছিল ৫.০ শতাংশ। তিনি মেঘা ও বড় প্রকল্পসমূহ বাস্তবায়ন সম্পর্কে বলেন, পদ্মা সেতু প্রকল্প ও রুপপুর পারমানবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের বাস্তবায়ন কাজ এখন দৃশ্যমান। আগামী বছরের মাঝামাঝি নাগাদ ঢাকা- চট্রগ্রাম ডাবল ট্র্যাক রেল লাইন স্থাপন কাজ সম্পন্ন হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, খুব শিগগির বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট উৎক্ষেপন হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এতে দেশের টেলিযোগাযোগের ক্ষেত্রে ব্যাপক সম্ভাবনার দ্বার উম্মোচিত হবে। তিনি বলেন, অতি বৃষ্টি ও বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুযোর্গে এ বছরে খাদ্য শস্যের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হওয়া সত্ত্বেও কোন খাদ্য সংকট তৈরি হয়নি।

এম এ মান্নান বলেন, ২০১৭ সালে বিদ্যুৎ সেক্টরে ব্যাপক সাফল্য অর্জিত হয়েছে। দেশের ৮৫ শতাংশ লোক এখন বিদ্যুৎ সুবিধার আওতায় এসেছে। ভিশন ২০২১ সালের আগেই ২০১৯ সালের মধ্যে প্রতিটি ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ পৌছে যাবে। -বাসস