ব্রেকিং নিউজ

রাত ৪:৫৯ ঢাকা, বৃহস্পতিবার  ২০শে সেপ্টেম্বর ২০১৮ ইং

আ. লীগ গণতন্ত্র ও ভোটাধিকার রক্ষায় দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখছে: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, নব্বই পরবর্তী দুই দশকে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ গণতন্ত্র ও ভোটাধিকার রক্ষায় দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করেছে।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে অবৈধ ক্ষমতা দখলের পথ রুদ্ধ হয়েছে। শনিবার ‘গণতন্ত্র মুক্তি দিবস’ উপলক্ষে দেয়া এক বাণীতে তিনি গতকাল এসব কথা বলেন।
শেখ হাসিনা বলেন, সৈ¦রাচারী শাসন উৎখাত করে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার, জনগণের ভোট ও মৌলিক অধিকারসমূহ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে তাঁর দল দীর্ঘ সংগ্রাম করেছে। সে আন্দোলন-সংগ্রামে দেশের মানুষ স¦তঃস্ফূর্তভাবে অংশ নিয়েছে। নূর হোসেন, বাবুল, ফাত্তাহ, ডাঃ মিলনসহ অগণিত মানুষ আত্মাহুতি দিয়েছে।
ওই গণআন্দোলনের কাছে সৈ¦রাচারী শাসক নতি স¦ীকার করতে বাধ্য হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, আত্মাহুতি দেয়া শহীদদের রক্তের বিনিময়ে আজ অর্জিত হয়েছে গণতন্ত্র। এ অর্জন ধরে রাখতে তাঁর দল ও সরকার বদ্ধপরিকর।
দেশবাসীর স¦তঃপ্রণোদিত ত্যাগ ও অধিকার রক্ষায় আপোসহীনতার জন্য কৃতজ্ঞতা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী গণতন্ত্র ও অধিকার আদায়ের আন্দোলনে জীবনোৎসর্গকারী দেশপ্রেমী শহিদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান।
ছয় ডিসেম্বরকে ‘গণতন্ত্র মুক্তি দিবস’ এবং গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের ইতিহাসে এক তাৎপর্যপূর্ণ দিন উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, ১৯৯০ সালের এই দিনে সৈ¦রাচারের পতন হয়েছে। তাই এ মহান দিবসে গণতন্ত্রের অতন্দ্র প্রহরী সংগ্রামী দেশবাসীকে তিনি আন্তরিক অভিনন্দন জানান।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ষড়যন্ত্রকারী ঘাতকেরা সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে নৃশংসভাবে হত্যা করে। পরবর্তীকালে অসাংবিধানিক ও অবৈধ সরকার ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হয়।
তিনি বলেন, ওই অবৈধ সরকার জনগণের ভোটের অধিকার হরণ করে। গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ধ্বংস করে। মহান স¦াধীনতা সংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধের গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাসকে বিকৃত করে। দেশে নৈরাজ্য ও সন্ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করে।
শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ যখনই সরকারে এসেছে গণতন্ত্র ও সংবিধান সমুন্নত রেখেছে। মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। তাই তিনি গণতন্ত্র মুক্তি দিবসে গণতন্ত্রের ভিত্তিকে আরও শক্তিশালী করতে দেশের উন্নয়ন ও জনগণের কল্যাণে সকলে একতাবদ্ধ হয়ে কাজ করার আহবান জানিয়েছেন।