ব্রেকিং নিউজ

রাত ৩:১৫ ঢাকা, বুধবার  ২৬শে সেপ্টেম্বর ২০১৮ ইং

ফাইল ফটো

আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় গণমাধ্যমেরও ভূমিকা আছে : আইজিপি

মহাপুলিশ পরিদর্শক এ কে এম শহিদুল হক বলেছেন, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় পুলিশের পাশাপাশি গণমাধ্যমের অগ্রণী ভূমিকা রয়েছে।

তিনি শনিবার রাজধানীর গুলশানস্থ হোটেল আমারির বলরুমে-“জননিরাপত্তা বিধানে গণমাধ্যম ও পুলিশের ভূমিকা” শীর্ষক এক মত বিনিময় সভায় এ কথা বলেন।

সভায় ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মোঃ আছাদুজ্জামান মিয়া স্বাগত বক্তব্য রাখেন এবং বিশিষ্ট সাংবাদিক মঞ্জুরুল আহসান বুলবুল অনুষ্ঠানটি সঞ্চালন করেন।

এছাড়া প্রাক্তন আইজিপি মুহাম্মদ নুরুল হুদা, প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা ইকবাল সোবহান চৌধুরী, দৈনিক আমাদের অর্থনীতির সম্পাদক নাঈমুল ইসলাম খান, বাংলাদেশ প্রতিদিনের সম্পাদক নঈম নিজাম, বাংলা ভিশনের বার্তা প্রধান মোস্তফা ফিরোজ, অধ্যাপক সলিমুল্লাহ খান, অধ্যাপক ড. অরূপ রতন চৌধুরী, সৈয়দ আবুল মকসুদ, লেখক, ডাঃ নুজহাত চৌধুরী, সহযোগী অধ্যাপক বি. এস. এম. এম. ইউ, মাসুদা ভাট্রি, আবেদ খান, ফকির আলমগীর, এডভোকেট মঞ্জুর মোর্শেদ, মেজর জেনারেল (অব:) আব্দুর রশিদ, অধ্যাপক সাদিকা হালিমসহ পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

সভায় লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ডিএমপি’র যুগ্ম কমিশনার (ক্রাইম) কৃষ্ণ পদ রায়।

পুলিশ প্রধান এ কে এম শহীদুল হক বলেন, একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে গণমাধ্যমের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, নাগরিকদের মৌলিক অধিকার ও মানবাধিকার ক্ষুন্ন হলে এবং ন্যয়বিচার বিঘ্নিত হলে গণমাধ্যম তা তুলে ধরে। ফলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান তা শুধরিয়ে নিতে পারে। তাই আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় পুলিশের পাশাপাশি গণমাধ্যমের অগ্রনী ভূমিকা আছে।

তিনি বলেন, জননিরাপত্তা বিধানে পুলিশ এবং গণমাধ্যমের ভূমিকা থাকায় তাদের পারস্পরিক বোঝা-পড়ার মাধ্যমে কাজ করতে হবে। কিন্তু তাদের মাঝে গ্যাপ থাকলে জননিরাপত্তা বিঘ্নিত হয়।

ডিএমপি কমিশনার মোঃ আছাদুজ্জামান মিয়া বলেন, একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের প্রতিচ্ছবি হল গণমাধ্যম। জননিরাপত্তা দেয়া রাষ্ট্রের দায়িত্ব। আর এই জননিরাপত্তা বিধানে কাজটি করে রাষ্ট্রের পক্ষে পুলিশ। পুলিশের এই কাজে সাহায্য ও সহযোগীতা করে গণমাধ্যম। তাই জননিরাপত্তা বিধানে পুলিশ এবং গণমাধ্যমের ভূমিকা খুব কাছাকাছি এবং পরস্পরের সম্পূরক।

সাবেক আইজিপি নুরুল হুদা বলেন, আমার ৩২ বছরের পুলিশ সার্ভিস হতে অর্জিত অভিজ্ঞতার আলোকে একটা পরামর্শ হল পুলিশের প্রতি জনগণের বিশ্বাস আনতে হবে। আর এই বিশ্বাস অর্জনে পুলিশ এবং গণমাধ্যমকে ভূমিকা রাখতে হবে।