ব্রেকিং নিউজ

রাত ২:৫৪ ঢাকা, বুধবার  ১৯শে সেপ্টেম্বর ২০১৮ ইং

ফাইল ফটো

আইএস-এর কোনো অস্তিত্ব কখনোই বাংলাদেশে ছিলনা : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, বাংলাদেশে আইএস-এর কোনো অস্তিত্ব কখনোই ছিলনা, এখনো নেই। দেশী-বিদেশী ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে দেশকে জঙ্গী রাষ্ট্র বানানোর চেষ্টা চলছে।
বৃহস্পতিবার রাজধানীর আজিমপুর গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজ অডিটেরিয়ামে ‘সন্ত্রাস, জঙ্গীবাদ, মাদক নির্মূল এবং সামাজিক অবক্ষয় রোধে ইমাম সমাজের ভূমিকা’ শীর্ষক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ঢাকা ৭ আসনের সংসদ সদস্য হাজী মো. সেলিমের সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় অন্যদের মধ্যে বক্তৃতা দেন খাদ্যমন্ত্রী অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম, ডিএমপি কমিশনার আসাদুজ্জামান মিয়া ও ইমাম সমাজের দুই প্রতিনিধি।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, স্বার্থান্বেষী মহল দেশকে অকার্যকর রাষ্ট্র বানানোর জন্য আইএস এর ধোঁয়া তুলছে। আলেম সমাজকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে এই ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হবে। তিনি বলেন, ধর্মের নামে যারা অর্ধম করছে, নিরীহ মানুষ হত্যা করছে তাদের বিরুদ্ধে আপনারা দাঁড়াবেন।
মন্ত্রী আরও বলেন, আমাদের দেশে যা কিছু হয়, সঙ্গে সঙ্গে আলেম ওলামাদের নামে ইসলামের নামে চালিয়ে দেয়া হয়। মুসলমানদের প্রতি ঘৃণা জাগাতে এমন করা হচ্ছে। আলেম ওলামারা এগিয়ে না আসলে এ সমস্যার সমাধান সম্ভব নয়।
এদিকে সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বুধবার রাতে রাজধানীর মহাখালিতে খ্রীস্টান পরিবারে ওপর হামলাকে ডাকাতির ঘটনা বলে উল্লেখ করেন।
খাদ্যমন্ত্রী বলেন, আজকে জঙ্গিরা জিহাদের নামে যা করছে আমাদের মুসলমান সমাজের বিশ্বের দরবারে মাথা হেট হয়ে যাচ্ছে। আমাদের দাবি হচ্ছে সেই কথাগুলো আপনারা (আলেমরা) বলেন। আমাদের সবাইকে সচেষ্ট হতে হবে। শুধুমাত্র মাদ্রাসায় শিক্ষিতরাই জঙ্গি হয়- তা নয়, ইংরেজি শিক্ষায় শিক্ষিত অনেক ছাত্ররাও বিভ্রান্ত হয়ে এ সমস্ত তৎপরতায় জড়িত হচ্ছে।
তিনি বলেন, আমাদের দেশকে জঙ্গি রাষ্ট্র বানানোর জন্য, অকার্যকর রাষ্ট্রে পরিণত করার জন্য আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রকারীরা ষড়যন্ত্র করছে। এ ষড়যন্ত্র রুখে দিতে সরকারের পাশাপাশি ইমাম আলেমদের এগিয়ে আসতে হবে।
অনুষ্ঠানে অন্যান্য বক্তারা বলেন, ইসলাম শান্তির ধর্ম। এখানে জঙ্গীবাদের কোনো স্থান নেই। মুসলামনদের প্রতি ঘৃণা ছড়াতে ইসলামের নাম ব্যবহার করে সন্ত্রাস করা হচ্ছে। এর বিরুদ্ধে আমাদের খুবই সতর্ক থাকতে হবে। জঙ্গীবাদ দমনে দেশের আলেম সমাজকে বিশেষভাবে এগিয়ে আসতে হবে। সাধারণ মানুষের কাছে ইসলামের সত্য বাণী সঠিকভাবে উপস্থাপন করতে হবে।