Sheersha Media

ব্রেকিং নিউজ

সকাল ৯:২২ ঢাকা, রবিবার  ১৮ই নভেম্বর ২০১৮ ইং

গরু-ছাগল-মহিষ এসব পশু সাধারণত অ্যানথ্রাক্সে আক্রান্ত হয় এবং আক্রান্ত পশুর মাংস যারা নাড়াচাড়া করেন, খান তাদেরই এ রোগ হয়ে থাকে।

‘অ্যানথ্রাক্স’ রোগে আক্রান্ত ৩৪জনকে শনাক্ত

সিরাজগঞ্জের কামারখন্দ এবং শাহজাদপুর উপজেলায় মোট ৩৪ জন রোগী অ্যানথ্রাক্স রোগে আক্রান্ত হয়েছেন বলে সন্দেহ করা হচ্ছে।

এর মধ্যে কামারখন্দ উপজেলাতেই ২১জন এমন রোগীকে শনাক্ত করা হয়েছে বলে জানাচ্ছেন স্থানীয় কর্মকর্তারা।

গত দু’তিন ধরে হাতে ও পায়ে ঘা নিয়ে একাধিক রোগী চিকিৎসা নিতে এলে চিকিৎসকদের সন্দেহ হয়।

এরপর রোগীদের শরীর থেকে বিভিন্ন নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগনির্ণয় ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান আইইডিসিআরে পাঠানো হয়েছে।

কামারখন্দ উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ শরিফুল ইসলাম বলছিলেন শুধু চামড়াতে ঘা-এর উপসর্গ নিয়ে রোগীরা এসেছিলেন।

গরু-ছাগল-মহিষ এসব পশু সাধারণত অ্যানথ্রাক্সে আক্রান্ত হয় এবং আক্রান্ত পশুর মাংস যারা নাড়াচাড়া করেন, খান তাদেরই এ রোগ হয়ে থাকে।

আর এ রোগ ঠেকানোর জন্য সতর্কতা হলো অসুস্থ গরু ছাগল এগুলো যেন কেউ জবাই না করে এবং না খায়।

অসুস্থ ও মৃত পশুগুলো যেন মাটিতে পুঁতে ফেলা হয় সে বিষয়ে সবাইকে নজর রাখা উচিত বলছিলেন ডা:মোহাম্মদ শরিফুল ইসলাম।

অ্যানথ্রাক্সে আক্রান্ত হলে ভয়ের কিছু নেই বলে উল্লেখ করেন মি: ইসলাম। সময়ে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা গ্রহণ করলে সেটা সেরে যাবে বলে জানান তিনি।

তবে যে ধরনের অ্যানথ্রাক্সে ভয় রয়েছে সে ধরনের অ্যানথ্রাক্স রোগী এখনও পাওয়া যায়নি বলে জানান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা: মোহাম্মদ শরিফুল ইসলাম। বিবিসি।