Sheersha Media

ব্রেকিং নিউজ

সকাল ১০:৫৯ ঢাকা, শুক্রবার  ১৬ই নভেম্বর ২০১৮ ইং

অস্ত্র দিয়েই এ সন্ত্রাস দমন করা হবে

বিএনপির চলমান আন্দোলনকে সন্ত্রাস আখ্যায়িত করে খাদ্যমন্ত্রী এডভোকেট কামরুল ইসলাম বলেছেন, অস্ত্র দিয়েই এ সন্ত্রাস দমন করা হবে এবং শিগগিরই দেশের পরিস্থিতি ঠিক হয়ে যাবে। অন্যদিকে, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া বলেছেন, অস্ত্র বা শক্তি দিয়ে রাজনৈতিক সমস্যার সমাধানের সুযোগ নেই। পাকিস্তানিদের চেয়ে বেশি নির্যাতন কেউ করেনি। তারা টিকতে পারেনি, পালিয়ে যেতে হয়েছে। এখনও যারা জুলুম-নির্যাতন করে দমন করতে চান তারাও পারবেন না, ইতিহাসে তাদের রাজনীতি টিকবে না। রোববার রাজধানীর বিয়াম অডিটরিয়ামে বিবিসি বাংলা সংলাপে অংশ নিয়ে তারা এসব কথা বলেন। আকবর হোসেনের উপস্থাপনায় এবারের আলোচনা পর্বে প্যানেল আলোচক হিসেবে কামরুল ইসলাম এবং রফিকুল ইসলাম মিয়া ছাড়াও অংশ নেন বাংলাদেশের কমিউনিষ্ট পার্টির সভাপতি মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম ও তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা রাশেদা কে চৌধুরী। এবারের পর্বে আমন্ত্রিত দর্শকদের বেশিরভাগ প্রশ্ন ছিল চলমান রাজনৈতিক সঙ্কট ও সহিংসতা এবং তা থেকে উত্তরণের উপায় নিয়ে। আলোচনায় অংশ নিয়ে কামরুল ইসলাম বলেন, বর্তমান পরিস্থিতির জন্য সরকারের কোন দায় নেই। তবে আন্দোলনের নামে সহিংসতা ও সন্ত্রাস কঠোরভাবে দমন করা সরকারের দায়িত্ব। সহিংসতা পুরোপুরিভাবে হয়তো দমন করতে পারিনি এটা সত্য। কিন্তু আমরা সন্ত্রাস নির্মূল করার চেষ্টা করছি। তিনি বলেন, বিএনপির রাজনৈতিক চরিত্র পাল্টে গেছে। তারা পরিকল্পিতিভাবে দেশটাকে অকার্যকর অবস্থায় নিয়ে যাবার চেষ্টা করছে। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে আরেকটি ওয়ান ইলেভেন আসার কোন সম্ভাবনা নেই। রফিকুল ইসলাম মিয়া বলেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা যদি বহাল থাকতো তবে আজকের এই পরিস্থিতি সৃষ্টি হতো না। তিনি বলেন, চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে আমাদেরও প্রশ্ন আমরা কোথায় যাচ্ছি। এক মারাত্মক অনিশ্চয়তা দেশকে ধংসের দিকে নিয়ে যাচ্ছে। বর্তমান সঙ্কটময় পরিস্থিতির জন্য মূলত সরকারই দায়ী। আর যারা রাজনীতি করছেন তারাও কম বেশি দায়ী। রফিকুল ইসলাম মিয়া বলেন, রাজনৈতিক দলগুলো যদি ইচ্ছা প্রকাশ করে তাহলে একটি স্থায়ী সমাধানে পৌঁছানো সম্ভব হতে পারে। আশা করি প্রধানমন্ত্রী এবিষয়ে উদ্যোগ নেবেন। মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম বলেন, বর্তমান সঙ্কটময় পরিস্থিতির জন্য আওয়ামী লীগ বিএনপি উভয়ই দায়ী। তাদের ক্ষমতাকেন্দ্রীক রাজনীতির মৌলিক রুগ্নতা ও অসুস্থতা থেকেই বর্তমান সঙ্কটময় রাজনৈতিক পরিস্থিতির সৃষ্টি।