ব্রেকিং নিউজ

সকাল ১১:১৬ ঢাকা, সোমবার  ২১শে মে ২০১৮ ইং

ফাইল ফটো

অসুস্থ লতিফ সিদ্দিকী দিল্লীর হাসপাতালে

শীর্ষ মিডিয়া ২৬ অক্টোবর ঃ   মন্ত্রিসভা থেকে বহিস্কৃত আওয়ামী লীগ নেতা লতিফ সিদ্দিকী এখন কোথায় ? তিনি কি করছেন, কি করবেন ?  কেমন আছেন ? কি করছেন ? এই প্রশ্নের উত্তরগুলো সবার জানার আগ্রহ থাকলেও সহজে জানা যাচ্ছে না।  তার সাথে যোগাযোগ করা সম্ভব না হলেও সিদ্দিকী পরিবারের দুজন সদস্যের সাথে কথা বলে জানা গেছে লতিফ সিদ্দিকী দিল্লীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন । যদিও হাসপাতালের নাম কিংবা ঠিকানা কিছুই বলতে পারেনি ।

মাত্র কয়েকদিন আগেও কলকাতা থেকে তার মোবাইল ফোনে কথা বললেও এখন তাকে সেই ফোনেও পাওয়া যাচ্ছে না।  ফোনটি যেহেতু বাংলাদেশের রোমিং নাম্বারের তাই ফোনে তার ঘনিষ্ট ব্যক্তিরা কথা বললেও লোকেশন বুঝতে পারছেন না। আর লতিফ সিদ্দিকীও বলতে চাচ্ছেন না তিনি কোথায় আছে। তবে ঘনিষ্টদের বাইরে অন্য কেউ এখন আর তাকে ফোনে পাচ্ছে না। ধারনা করা হচ্ছে হয় তিনি ফোনটি বন্ধ রেখেছেন।

লতিফ সিদ্দিকীর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা সম্পর্কে তার ঘনিষ্ট আত্মীয় তাকে জানিয়েছেন, তিনি এখন অসুস্থ হয়ে দিল্লীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। বড় কোনও অসুখ না হলেও তিনি নাকি শারীরিকভাবে খুব অসুস্থ এবং দূর্বল হয়ে পড়েছেন। লতিফ সিদ্দিকী চেষ্টা করেছিলেন, দলীয় নেত্রী এবং দেশবাসীর কাছে ক্ষমা চেয়ে দেশে ফিরতে। কিন্তু কারো কাছ থেকেই সহযোগ কোনো আশ্বাস পাননি। তার স্ত্রীর পক্ষ থেকেও অনেক চেষ্টা করে কোন আশা না পেয়ে  ভেঙ্গে পড়েন। আগামী মে মাসে তিনি আবারও যুক্তরাষ্ট হয়ে কানাডা যেতে পারেন বলে জানান লতিফ সিদ্দিকীর ওই আত্মীয়।

সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে ঘুরতে এসে টাঙ্গাইল সমিতির একটি সম্বর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি ইসলাম ধর্মের অন্যতম স্তম্ভ হজ্ব, তাবলীগ জামাত, নিউইয়র্কের বাংলা সংবাদপত্র নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত একজন সাংবাদিকের সাথে চরম দূর্ব্যবহার করা ছাড়াও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পুত্র এবং তার তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়কে নিয়ে তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য ভরা মন্তব্য করেন। পরে বিষয়গুলো নিয়ে নিউইয়র্কের সূত্রে বাংলাদেশের গণমাধ্যম সংবাদ প্রকাশ হলে দেশে বিদেশে তার বিরুদ্ধে ব্যাপক বিক্ষোভ হয়। এরই প্রতিক্রিয়ায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাকে মন্ত্রিসভা থেকে বহিষ্কার এবং দলের সবার মতামত নিয়ে আওয়ামী লীগ থেকেও বহিস্কার করেন।  দেশে ফিরতে না পেরে সংসদ সদস্য পদও তিনি হারাতে পারেন বলে তার পরিবারের পক্ষ থেকে আশংকা করা হচ্ছে।