ব্রেকিং নিউজ

বিকাল ৫:৫৫ ঢাকা, রবিবার  ২২শে জুলাই ২০১৮ ইং

তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু

অর্থনৈতিক ক্ষেত্রেও দক্ষ জনশক্তি দরকার : তথ্যমন্ত্রী

তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু বলেছেন, সামাজিক ও অর্থনৈতিক ক্ষেত্রেও দক্ষ জনশক্তি দরকার। দেশের অর্থনীতিকে আরো উন্নতভাবে এগিয়ে নিতে জনশক্তিকে দক্ষ ও কর্মক্ষম করে গড়ে তোলা প্রয়োজন।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ ইতোমধ্যে স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশ হতে চলেছে। এক্ষেত্রে আরো এক ধাপ এগুতে মানসম্মত দক্ষ জনশক্তি মুখ্য ভূমিকা পালন করতে পারে।

আজ রাজধানীর তেজগাঁওয়ে এনএসডিসি’র সম্মেলন কক্ষে বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস) ও জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন পরিষদের (এনএসডিসি) উদ্যোগে অনুষ্ঠিত এক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এ কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, দেশের অর্থনীতি যেখানে দাঁড়িয়ে আছে সেখান থেকে যদি আরেক ধাপ উপরে উঠতে হয়, তবে সেখানে একটি চ্যালেঞ্জ রয়েছে। তা হল অদক্ষ শ্রমিক নির্ভর অর্থনীতি। আধা দক্ষ জনগোষ্ঠীকে শ্রমশক্তি ও জনশক্তিতে পরিণত করা। তবেই কেবল আমরা পরের ধাপের অর্থনীতির যে চ্যালেঞ্জ তার চাহিদা মেটাতে পারবো।

তিনি বলেন, সেই প্রেক্ষিতে আমাদের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার যে দূরদৃষ্টি তা আগের সরকার ভাবেনি। তিনি জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন নীতি -২০১১ ও জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন পরিষদ তৈরি করেছেন দক্ষতা উন্নয়ন কার্যক্রমকে গতিশীল করার জন্য। বর্তমানে দেশে প্রায় ১৩ হাজারের বেশি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র রয়েছে।

মন্ত্রী বলেন, ‘সুতরাং উন্নয়নশীল দেশের পরের ধাপে পৌঁছাতে রাজনীতি ও অর্থনীতিতে সুশাসন প্রতিষ্ঠা করা প্রয়োজন। আমরা প্রায়শই মনে করে থাকি রাজনীতি ও সুশাসন হাতের এপিঠ-ওপিঠ। অর্থনীতির সুশাসন আমরা আলোচনাতেই আনি না। যখনই সুশাসনের বিষয় আসবে তখনই ভাবতে হবে রাজনীতি, সামাজিক ও অর্থনৈতিক ক্ষেত্রেও দক্ষ জনশক্তি দরকার।’

সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, এই যে ধাপে ধাপে বাংলাদেশ সমৃদ্ধি, সংবিধান, গণতন্ত্র এবং সুশাসনের পথে এগিয়ে যাচ্ছে, এক্ষেত্রে গণমাধ্যম তথ্য সেতুর কাজ করছে। তাই দেশের সার্বিক উন্নয়নে গণমাধ্যমের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তৃতা করেন বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার (বাসস) ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. এ এস এম আসাদুজ্জামান।

আবুল কালাম আজাদ বলেন, এপর্যন্ত বাংলাদেশ যা অর্জন করেছে তা অব্যাহত থাকলে ২০২১ সালের মধ্যে মধ্যম আয়ের দেশে এবং ২০৩০ সালের আগেই বাংলাদেশ টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনে সক্ষম হবে।

এনএসডিসি’র প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (অতিরিক্ত সচিব) এবিএম খোরশেদ আলমের সভাপতিত্বে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, এনএসডিসি সচিবালয়ের পরিচালক (যুগ্ম সচিব) মোহাম্মদ রেজাউল করিম, এনএসডিসি সচিবালয়ের উপ-পরিচালক কামরুজ্জামান, এনএসডিসির উপ-পরিচালক নেপাল চন্দ্র কর্মকার ও গণস্বাক্ষরতা অভিযানের উপ-পরিচালক তপন কুমার দাশ।

অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন বাসস’র প্রধান প্রতিবেদক আশেক উন নবী চৌধুরী।