Sheersha Media

ব্রেকিং নিউজ

বিকাল ৫:১৮ ঢাকা, শুক্রবার  ১৬ই নভেম্বর ২০১৮ ইং

অভিযোগঃ উপাচার্য জামায়াতের

বৃহস্পতিবার দুপুরে দিনাজপুর প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে হাবিপ্রবির ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের নেতৃবৃন্দ লিখিত বক্তব্যে অভিযোগ করেছেন হাজী দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (হাবিপ্রবি) উপাচার্য জামায়াতের অঘোষিত আমির হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।  ২০১৩ সালের ১১ ডিসেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়ে জামায়াত-শিবিরের লুটপাট, ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ এবং প্রগতিশীল শিক্ষক-ছাত্রদের ওপর হামলার এক বছর উপলক্ষে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। সম্মেলনে অবিলম্বে জামায়াতপন্থি উপাচার্যকে অপসারণের দাবি জানিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ ফিরিয়ে আনার আহ্বান জানান ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের নেতারা। ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের নেতা আতিকুর রহমান রানা, আহসান হাবীব রিজভি, শামির হোসেন, সিফাত শাহ, রনি কুমার সাহা পাপ্পু এবং ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক অরুণ কান্তি রায় সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন।

সংবাদ সম্মেলনে নেতারা বলেন, জামায়াতের অঘোষিত আমির হিসেবে দায়িত্ব পালন করায় শিবির কোটি টাকার সম্পত্তি বিনষ্ট, লুটপাট ও ভাঙচুর করলেও একজনও বহিষ্কার হয় না। আর প্রগতিশীল মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের ছাত্রলীগের তিন নেতাকে বহিষ্কার করা হয় ১০ মিনিটে।

ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের আহ্বায়ক ও ছাত্রলীগের সভাপতি ইফতেখারুল ইসলাম রিয়েল বলেন, ‘হাবিপ্রবির ভিসি প্রফেসর রুহুল আমিন সরাসরি জামায়াত-বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত হয়ে ক্যাম্পাসে জামায়াতের অলিখিত আমিরের দায়িত্বে রয়েছেন।

তিনি বলেন, ‘৫ জানুয়ারি নির্বাচনের পূর্বে জামায়াত-বিএনপিপন্থি শিক্ষকদের সঙ্গে আঁতাত করে সহিংসতার বিরুদ্ধে তিনি কোনো ব্যবস্থাই নেননি। উপরন্তু আটক শিবিরকর্মীদের এক দিনের মধ্যে নিজের ব্যক্তিগত আইনজীবীর দ্বারা জামিনের ব্যবস্থা করেন।

ইফতেখারুল ইসলাম বলেন, ‘ভিসি এখন পর্যন্ত ছাত্রশিবিরকে প্রত্যক্ষভাবে সহযোগিতা করে আসছেন। তাই বঙ্গবন্ধু ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছবি পোড়ানোর পরও বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ কোনো ধরনের ব্যবস্থা নেয়নি। কোটি টাকার সম্পত্তি বিনষ্ট, ভাঙচুর, লুটপাট এবং নজিরবিহীন তাণ্ডবে তিনি রহস্যজনক ভাবে নীরবতা পালন করেছেন। ‘শিবিরের সন্ত্রাসীরা দুটি হলে হামলা চালিয়ে ৫শ’ কম্পিউটার ও ২৫০টি ল্যাপটপ লুট করেছে। জামায়াতপন্থি হওয়ায় রিজেন্ট বোর্ডে সর্বসম্মতিক্রমে মুক্তিযুদ্ধের ভাষ্কর্য নির্মাণের সিদ্ধান্ত হলেও মূর্তি পূজা হবে বলে তিনি তা বাস্তবায়িত করেননি। তিনি সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের শিক্ষার্থীদের সম্পর্কে অশোভনীয় আচরণ করেন।