ব্রেকিং নিউজ

বিকাল ৫:৫৩ ঢাকা, বৃহস্পতিবার  ২৪শে মে ২০১৮ ইং

অবৈধ ও ব্যর্থ সরকারের ক্ষমতায় থাকার অধিকার নেই-খালেদা

বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া বলেছেন, যারা উন্নয়নে নেই তাদের ভোট দিয়েও লাভ নেই।তিনি বলেন, ৫ জানুয়ারির নির্বাচনে কেউই ভোট দিতে ভোট কেন্দ্রে যায়নি। দেশে কোন নির্বাচিত সরকার নেই। অবৈধ ও ব্যর্থ এই সরকারের ক্ষমতায় থাকার অধিকার নেই।বুধবার বিকেল সোয়া ৪ টার দিকে কিশোরগঞ্জের গুরুদয়াল সরকারি কলেজ মাঠে ২০ দলীয় জোট আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, শিক্ষা ক্ষেত্রে, স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে সকল ক্ষেত্রেই এ সরকার পিছিয়ে আছে।এসব খাতে এখন ব্যাপক দুর্নীতি চলছে যা পত্রপত্রিকায় আসছে। আবুল মাল আব্দুল মুহিতের বয়স হয়েছে। তিনি মাঝে মাঝে সত্য কথা বলেনে। অর্থমন্ত্রী নিজেই স্বীকার করেছেন ব্যাংকিংখাতে দুর্নীতি বন্ধ করতে আমরা ব্যর্থ হয়েছি। খালেদা জিয়া বলেন, এই সরকারের লোকজন ব্যাংক থেকে ২০ হাজার কোটি টাকা লুটপাট করেছে। দেশের অর্থনীতিকে ধ্বংস করে দিয়েছে।দেশের অর্থনীতি আজ বিপর্যস্ত।সরকারি ব্যাংকগুলো ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে। বিদেশীরা আর বাংলাদেশকে কোন সহায়তা করতে চায় না। তিনি বলেন, বিএনপি আমলে শিক্ষার সবচেয়ে বেশী উন্নয়ন হয়েছে। আমরা নকল বন্ধ করেছি। এখন সেসব কিছুই নেই। প্রশ্নপত্র ফাস করে নম্বর বাড়িয়ে দিয়ে ছাত্রদের পাস করে দেয়া হচ্ছে। সরকার দুর্নীতিকে প্রশ্রয় দিচ্ছে। দুদক এখন দুর্নীতির আখড়ায় পরিণত হয়েছে।দেশের আইনশৃংখলা পরিস্থিতি খারাপ। পুলিশ অপরাধে জড়িয়ে পড়ছে। র‌্যাব এখন মানুষ গুম করছে। তিনি র‌্যাব বিলুপ্তির দাবি জানান।

বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়া বলেন, বিরোধীদলকে কোন মিটিং মিছিল করতে দেয়া হয় না। বিচার বিভাগ স্বাধীন নয়। দেশের মানুষ কোন ন্যায় বিচার পায় না। তিনি বলেন, দেশের অবস্থা খারাপ, আর আওয়ামী লীগের অবস্থা ভালো। আওয়ামী লীগের আমলে উপজেলা হাসপাতালগুলোতে ঔষুধ পাওয়া যায় না। দেশ জুড়ে শুধু লুটপাটের খবর পাওয়া যায়। আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ আর যুবলীগ সবাই লুটপাটে ব্যস্ত। তিনি আরো বলেন, আমি ও আমার ছেলেরা কোন দোষ করিনি। এজন্য আমি দেশ ছেড়ে যাইনি। সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহবান জানিয়ে খালেদা জিয়া বলেন, আমি প্রধানমন্ত্রী হতে চাই না। নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের সরকার ক্ষমতায় আসতেই এই আন্দোলন।

বুধবার খালেদা জিয়ার জনসভায় জনতার ঢল নামে।কলেজের মাঠ ছাড়িয়ে এলাকার আশপাশের দালান স্থাপনায় উঠে মানুষকে বিএনপি চেয়ারপার্সনের ভাষন শুনতে দেখা গেছে।
এসময় মঞ্চে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, ভাইস চেয়ারম্যান ড: ওসমান ফারুকসহ ২০ দলীয় জোটের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

এই প্রতিবেদন Like & Share করুন।