Sheersha Media

ব্রেকিং নিউজ

বিকাল ৩:৩৩ ঢাকা, শনিবার  ১৭ই নভেম্বর ২০১৮ ইং

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

অনুদানের চেক প্রধানমন্ত্রীর নিকট হস্তান্তর

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, দেশের সাবির্ক উন্নয়ন নিশ্চিত করার মাধ্যমে বাংলাদেশকে একটি মর্যাদাশীল জাতিতে পরিণত করতে সরকারি ও সমবায় খাতকে একযোগে কাজ করা উচিত।

‘বাংলাদেশ ইন্ডিপেন্ডেন্ট পাওয়ার প্রডিউসারস এসোসিয়েশন’ (বিআইপিপিএ)-এর সভাপতি সামিট পাওয়ারের মো. লতিফ খানের নেতৃত্বে সংগঠনটির একটি প্রতিনিধিদল আজ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে তাঁর কার্যালয়ে তিনটি প্রতিষ্ঠানের জন্য অনুদানের চেক হস্তান্তর করতে গেলে তিনি একথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল, প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্ট ফান্ড এবং জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেমোরিয়াল ট্রাস্ট ফান্ড-এ এই অনুদান দেওয়া হয়।

অনুদানের চেক প্রদানের পর প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম এ বিষয়ে সাংবাদিকদের অবহিত করেন।

প্রেস সচিব জানান, প্রতিনিয়ত বিদ্যুতের চাহিদা বাড়ছে বিধায় প্রধানমন্ত্রী বিদ্যুৎ উৎপাদন বৃদ্ধির উপর গুরুত্বারোপ করেন।

শেখ হাসিনা বলেন, তাঁর সরকার প্রথমবারের মতো বেসরকারি খাতে বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ ও দেশে বিদ্যুৎ সঞ্চালনের অনুমতি দিয়েছে এবং বৈদ্যুতিক জেনারেটর আমদানির উপর থেকে কর প্রত্যাহার করেছে।

শেখ হাসিনা আরও বলেন, তাঁর সরকারের অর্থনৈতিক পরিকল্পনার লক্ষ্য গ্রামভিত্তিক উন্নয়ন নিশ্চিত করা।

এর প্রেক্ষিতে বিআইপিপিএ নেতৃবৃন্দ বিদ্যুৎ খাতে বিনিয়োগে তাদেরকে উৎসাহিত করার জন্য প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।

এসময় প্রধানমন্ত্রীর বিদ্যুৎ ও জ্বালানী বিষয়ক উপদেষ্টা ড. তৌফিক-ই-এলাহী চৌধুরী, বিদ্যুৎ ও জ্বালানী প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব ড. কামাল আবদুল নাসের চৌধুরী এবং প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সিনিয়র সচিব সুরাইয়া বেগম উপস্থিত ছিলেন।

এদিকে, বাংলাদেশ ইনস্যুরেন্স এসোসিয়েশনের (বিআইএ)-এর সভাপতি শেখ কবির হোসেনের নেতৃত্বে সংগঠনটির একটি প্রতিনিধিদল আজ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে জাতিরজনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেমোরিয়াল ট্রাস্ট ফান্ড-এর জন্য একটি অনুদানের চেক প্রধানমন্ত্রীর কাছে হস্তান্তর করেছে।

এসময় বিআইএ’র সহসভাপতি অধ্যাপক রুবিনা হামিদ, একেএম মনিরুল হক, নির্বাহি কমিটির সদস্য মোজাফফর হোসেন পল্টু, নূরুল আলম চৌধুরী, নাসিরউদ্দিন আহমদ এবং নীশিথ কুমার সরকার উপস্থিত ছিলেন।