শীর্ষ মিডিয়া

ব্রেকিং নিউজ

দুপুর ২:৪৫ ঢাকা, রবিবার  ১৬ই ডিসেম্বর ২০১৮ ইং

আবুল মাল আব্দুল মুহিত
২০১৬-১৭ করবর্ষের আয়কর রিটার্ন জমা দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত।

অনলাইনে আয়কর জমা দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী

চলতি ২০১৬-১৭ করবর্ষের আয়কর রিটার্ন জমা দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত। এক কোটি ৯৮ লাখ টাকা নিট সম্পদের বিপরীতে এ বছর দুই লাখ ১২ হাজার ৬১১ টাকা আয়কর দেন তিনি।

সোমবার সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রীর সভাকক্ষে অনলাইনে এ আয়কর রিটার্ন জমা দেন অর্থমন্ত্রী। এ সময় জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান মো. নজিবুর রহমানসহ অর্থ মন্ত্রণালয়ের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

পরে এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে অর্থমন্ত্রী জানান, বিগত ২০১৫-১৬ অর্থবছরে তার আয় ছিল ৩৪ লাখ ২৫ হাজার টাকা। এর মধ্যে করযোগ্য আয় ২০ লাখ ৯১ হাজার এবং করযোগ্য নয়, এমন আয় ১৩ লাখ ৩৩ হাজার টাকা। এই আয়ের ওপর ভিত্তি করে তিনি এবছর দুই লাখ ১২ হাজার ৬১১ টাকা আয়কর দিয়েছেন।

মুহিত বলেন, যেবছর তিনি মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন ২০০৮-০৯ অর্থবছরে তার মোট সম্পদের পরিমাণ ছিল এক কোটি ১৪ লাখ টাকা। চলতি অর্থবছর তার এই সম্পদ বেড়ে দাঁড়িয়েছে এক কোটি ৯৮ লাখ টাকা।

তিনি বলেন, এই সম্পদের বড় একটি অংশ বিদেশে থাকতে অর্জন করেছি, যা করযোগ্য নয় (করের আওতায় পড়ে না)।

ব্যক্তিশ্রেণীর করদাতাদের জন্য ৩০ নভেম্বর আয়কর রিটার্ন দাখিলের শেষ সময় উল্লেখ করে অর্থমন্ত্রী বলেন, এরপর আর সময় বাড়ানো হবে না। যুক্তরাষ্ট্রসহ উন্নত দেশগুলোতে একটি নির্দিষ্ট তারিখে আয়কর দিবস পালন করা হয়। যার পরে আর রিটার্ন দাখিল করা যায় না। আমরাও এবার এ ধরনের দিবস চালু করলাম। আশা করি পরবর্তী সরকারগুলোও এটি বজায় রাখবেন।

তিনি অনলাইনে রিটার্ন দাখিলের সুবিধাদি বণর্না করে বলেন, এতদিন সম্পদ হিসাব করে করদাতাদের করের পরিমাণ বের করার ঝামেলা পোহাতে হতো। এখন আর ঝামেলা থাকবে না। অনলাইনে সম্পদের বিবরণ দিলেই সফটওয়্যার করের হিসাব করে ফেলতে পারবে। এতে করদাতারা হয়রানি ও ঝামেলামুক্ত হবেন বলে তিনি মন্তব্য করেন।

মুহিত বলেন, তরুণ প্রজন্ম কর প্রদানে উৎসাহিত হচ্ছেন। এবারের মেলায় এর প্রমাণ আমরা পেয়েছি। এখন আমরা বিভিন্নভাবে দেশবাসীকে কর প্রদানে উদ্বুদ্ধ করছি।

এক প্রশ্নের উত্তরে অর্থমন্ত্রী বলেন, ব্যাংকিং খাতে অনিয়ম-দুর্নীতি রোধে পরিচালনা পর্ষদে দক্ষ ব্যক্তিদের নিয়োগ দেয়া হচ্ছে। এছাড়া কোন অনিয়ম দেখা দিলে এর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থাও নেয়া হচ্ছে।

তিনি বলেন, বর্তমান সরকারের মেয়াদে অনিয়মের কারণে ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও উপব্যবস্থানা পরিচালকদের বরখাস্ত করার মত ঘটনা ঘটেছে।