ব্রেকিং নিউজ

বিকাল ৪:২৫ ঢাকা, সোমবার  ২৪শে সেপ্টেম্বর ২০১৮ ইং

সজীব ওয়াজেদ জয়
সজীব ওয়াজেদ জয়

“অতীতের যেকোন নির্বাচনের তুলনায় পৌর নির্বাচনে অনিয়ম খুবই কম হয়েছে”

ফেসবুকের মাধ্যমে দেশবাসীকে ইংরেজি নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় বলেছেন,  এবারের পৌরসভা নির্বাচনে অনিয়মের অভিযোগ অতীতের যে কোন নির্বাচনের সময়ে অনিয়মের তুলনায় নগণ্য।

শুক্রবার দিবাগত রাতে ফেসবুকে জয় বলেন, ‘নববর্ষের দ্বারপ্রান্তে এসে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ পৌরসভা নির্বাচনে নিরঙ্কুশ বিজয় অর্জন করেছে। সর্বশেষ গণনা অনুযায়ী, ২৩৪টি আসনের মাঝে ১৭৭টি আসনে আমরা বিজয় পেয়েছি। অন্য কোনো প্রার্থী না থাকায় ৭ জন বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় জিতেছেন। আমাদের বিজয়ী মেয়র এবং কাউন্সিলরদের অভিনন্দন জানাচ্ছি।

সজীব ওয়াজেদ জয় এর ফেসবুক স্ট্যাটাসটি হুবহু নিম্নে দেয়া হলঃ

Sajeeb Wazed

A very Happy New Year to everyone. On this New Year’s Eve the Awami League has won a massive victory in the municipal polls across Bangladesh. At last count we have won 177 out 234 where votes were held. 7 were elected unopposed as there were no other candidates. Congratulations to all our victorious Mayors and Councilors.

Voting took place simultaneously in 3555 polling centers across the country. Out of these, irregularities have been reported so far in 38 polling centers. That is just 1% of polling centers affected, one of the lowest irregularities we have ever had in any election in Bangladesh. The Election Commission suspended voting in these centers and their results are not included in the final tally.

Voter turnout was 74%. Voter turnout historically in Bangladesh for elections where all parties have participated has ranged from 55% to 87%.

সবাইকে নববর্ষের শুভেচ্ছা। নববর্ষের দ্বারপ্রান্তে এসে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ পৌরসভা নির্বাচনে নিরঙ্কুশ বিজয় অর্জন করেছে। সর্বশেষ গণনা অনুযায়ী, ২৩৪ টি আসনের মাঝে ১৭৭টি আসনে আমরা বিজয় পেয়েছি। অন্য কোন প্রার্থী না থাকায় ৭ জন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জিতেছেন। আমাদের বিজয়ী মেয়র এবং কাউন্সিলরদেরকে অভিনন্দন জানাচ্ছি।

সারা দেশে ৩৫৫৫ কেন্দ্রে একযোগে ভোট গ্রহণ হয়েছে। এর মাঝে মাত্র ৩৮টি কেন্দ্রে ভোট গ্রহণে অনিয়মের সংবাদ পাওয়া গেছে। ক্ষতিগ্রস্ত কেন্দ্রের সংখ্যা মোট ভোটকেন্দ্রের সংখ্যার মাত্র ১%, যা বাংলাদেশের এ পর্যন্ত যে কোন নির্বাচনের সময়ে অনিয়মের তুলনায় নগণ্য। নির্বাচন কমিশন ঐ সব কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ স্থগিত করেছেন এবং সেসব কেন্দ্রের ভোটগুলো বাদ দিয়ে ফলাফল নির্ধারণ করা হয়েছে।

ভোটার উপস্থিতি ছিলো ৭৪%। ঐতিহাসিকভাবে বাংলাদেশে সব দলের অংশগ্রহন ছিলো এমন নির্বাচনে ভোটার উপস্থিতি ছিলো ৫৫% থেকে ৮৭%এর মধ্যে।